Aaj India Desk, কলকাতা : আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করতে এবার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)।
সোমবার রাতেই কলকাতা পুলিশের ডিরেক্টরেটের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ব্রাঞ্চ (ফোর্স সেকশন) একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট আধিকারিকদের মধ্যে।
কারা কারা দায়িত্বে আছেন ?
নির্দেশিকা অনুযায়ী, জয়েন্ট কমিশনার (মডার্নাইজেশন) নীলাঞ্জন বিশ্বাসকে কলকাতা উত্তর জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার (DEO) করা হয়েছে। জয়েন্ট কমিশনার (অর্গানাইজেশন) অজয় প্রসাদকে কলকাতা দক্ষিণের DEO হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, জয়েন্ট কমিশনার (AP) শুভঙ্কর ভট্টাচার্যকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার (DEO) এবং ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট (DM) পদে নিয়োগ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ডেপুটি কমিশনার (ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্ট, স্পেশাল) বিদিত রাজ ভুন্ডেশকে মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট (MCC)-এর নোডাল অফিসার করা হয়েছে। তিনি কলকাতা উত্তর, দক্ষিণ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর করার তদারকি করবেন। এই নিয়োগে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) কমিশনারের অনুমোদন রয়েছে বলেও নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মোট কতজন অফিসার ?
এছাড়া কয়েকদিন আগেই ভবানী ভবন থেকে আরোও আটজন নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে সাতজন ডিআইজি পদে ও একজন আইজি পদে আসীন। এবার আরও চারজন নোডাল অফিসার নিয়োগ করা হলো।
প্রশাসনিক মহলের মতে, পশ্চিমবঙ্গের মতো বৃহৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নোডাল অফিসারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা প্রশাসনের বিভিন্ন শাখার মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করেন, যাতে নির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশ দ্রুত ও সঠিকভাবে কার্যকর হয়। বিশেষ করে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) মতো সংস্থায় নোডাল অফিসাররা আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট প্রয়োগ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। এর ফলে নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত করা সম্ভব হয়। ফলে ভোট যত এগিয়ে আসবে, ততই এই ধরনের প্রস্তুতি আরও জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।


