কলকাতা: একদা বঙ্গ রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্র মুকুল রায়ের (Mukul Roy) জীবনাবসান ঘটল খানিকটা হেরে যাওয়া সৈনিক ও ভেঙে যাওয়া স্বাস্থ্য নিয়েই। তৃণমূলের দাপুটে নেতা। নব্বইয়ের দশক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী, সিঙ্গুর আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক। ধর্মতোলার ধর্নামঞ্চ হোক বা সিঙ্গুরের ধর্না, দলের অন্যতম মুখ ছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy) ।
কাঁচরাপাড়া থেকে যিনি সর্বভারতীয় রাজনীতিতেও ছাপ ফেলেছিলেন, তাঁর জীবনাবসান ঘটল নিভৃতেই। ১৯৯৮ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধজারন সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। কিন্তু একসময় রাজনীতির শিখরে পৌঁছে ‘ভুল’ করে ফেলেন ‘চাণক্য’! সারদা-নারদার মত দুর্নীতি কান্ডে নাম আসতে থাকে। বিজেপির সঙ্গে তোলে তোলে আঁতাতের খবর প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। তদুপরি তাঁর দায়িত্বে ত্রিপুরায় তৃণমূলের ভরাডুবি!
একসময় যাকে ‘বঙ্গ রাজনীতির চাণক্য’ বলা হত, পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এরপর ২০১৭-তে তৃণমূল ছেড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। ২৩ ফেব্রুয়ারি, সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৭৩ বছর বয়সে চিরবিদায় নিলেন তিনি (Mukul Roy)। তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু জানান, প্রায় ৬০০ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মুকুল রায়। শেষের দিকে কোমায় চলে যান তিনি।


