18 C
Kolkata
Tuesday, February 17, 2026
spot_img

‘২ কোটি চাকরি হলে, লাইনে কারা?’ ঝাঁঝালো আক্রমণ সুজনের

কলকাতা: রাজ্য সরকারের বেকার ভাতা যুবসাথীর (Yuvasathi) ফর্মের লাইনে দাঁড়িয়ে স্নাতক-স্নাতকোত্তর থেকে শুরু করে ডাক্তারি-ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ যুবক-যুবতী! রাজ্যের ২৯৪ টি ক্যাম্পে ১৫ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি চলছে যুবসাথী প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশন। অফ্লাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও আবেদন করছে রাজ্যের বেকার যুবসম্প্রদায়। ইতিমধ্যেই মাসিক ১৫০০ টাকা বেকার ভাতার জন্য প্রায় ২ লক্ষ যুবক-যুবতী আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

চাকরি নেই, তাই ভোটের আগে ভাতার ‘টোপ’ বলে সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির পাশাপাশি এবার তৃণমূল সরকারকে ঝাঁঝালো আক্রমণ করলেন সিপিআইএমের (CPIM) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী (Sujan Chakraborty)। এক্সে বর্ষীয়ান বাম-নেতা লেখেন, “মুখ্যমন্ত্রীর “ডবল ডবল চাকরি”র বদলে এখন নো-চাকরি! ২ কোটি নাকি চাকরি দিয়েছেন উনি! তাহলে যুবসাথীর (Yuvasathi) লাইনে এত যুবক কারা?”

X Link: https://x.com/Sujan_Speak/status/2023328290711425396

পাশাপাশি কর্মসংস্থানের পরিবর্তে ছাব্বিশের ভোটে মমতার তুরুপের তাস ভাতা! এমনটাই ইঙ্গিত করে সুজন চক্রবর্তী লেখেন, “ছিল কাজ অথবা কাজের সাপেক্ষে বেকার ভাতা। এখন যুবশ্রী হয়ে যুবসাথী..নাকি ভোটের ভাতা!” চাকরির বদলে ভাতা চাইতে গেলেও পুলিশের লাঠির বাড়ি জুটছে, বলে কটাক্ষ করেন সুজন চক্রবর্তী।

যুবসাথী ক্যাম্পে গোলমাল

বস্তুত, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যের ২৯৪ টি জায়গায় যুবসাথী (Yuvasathi) প্রকল্পে আবেদনের জন্য রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্প শুরু হয়েছে। যা চলবে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ক্যাম্পের প্রথমদিন, রবিবারেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার শিবিরে অধান্তির খবর উঠে আসে। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া ব্লক অফিসে যুবসাথীর ক্যাম্পের লাইনে অশান্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। এছাড়াও, জলপাইগুড়ি, মালদার শিবিরেও অশান্তি হয়।

উচ্চমেধা-সম্পন্ন যুবকরা বেকার ভাতার লাইনে

কেউ বি-টেক পাশ তো কেউ করছেন গবেষণা। স্নাতক-স্নাতকোত্তরের পড়াশুনো শেষ করেও মেলেনি চাকরি। রবিবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উঠে আসছে রাজ্যের কর্মসংস্থান ভেঙে পড়ার বাস্তব চিত্র। সঠিকভাবে শুন্যপদ প্রকাশিত হয় না, হলেও স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা নেই। পরীক্ষা হলেও নিয়োগ-দুর্নীতি। নিয়োগ হলেও সেই চাকরি আদৌ থাকবে কিনা সন্দেহ। পশ্চিমবঙ্গের যুবসমাজ যেন এই বেকারত্বের গোলকধাঁধায় আটকে পড়েছে!

ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করিয়ে তাঁদের বেকার ভাতার ফর্ম পূরণ করছেন অভিভাবকরা। এই যন্ত্রণা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। পাশাপাশি, ফর্ম সংগ্রহের লাইনে দাঁড়ানো যুবক-যুবতীদেরও বক্তব্য, ভাতা সাময়িক সমাধান। এতে আমাদের কিছুটা সাময়িক স্বস্তি হয়ত মিলবে। তবে কর্মসংস্থানের কোনও বিকল্প নেই।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন