Aaj lndia Desk,জলপাইগুড়ি: খাঁ খাঁ রোদে জলের অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছিল জমি। তবে তিস্তার ক্যানেলে জল পৌঁছাতেই ঘুরে দাঁড়াল কৃষিক্ষেত্র। ক্রান্তি ব্লক (Kranti Block) -এর বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে শুরু হয়েছে বোরো চাষের জোর প্রস্তুতি। নতুন করে আশার আলো দেখছেন শতাধিক কৃষক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা নদী (Teesta River) থেকে আসা প্রধান ক্যানেল ও শাখা ক্যানেলের জলের ওপর নির্ভর করেই প্রতি বছর বোরো ধান চাষ করেন এলাকার চাষিরা। চলতি মরশুমেও জল পৌঁছানোয় দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে জমি তৈরির কাজ।
বর্তমানে ব্লকের বিভিন্ন গ্রামে গেলে দেখা যাচ্ছে ব্যস্ততার চিত্র। কোথাও ট্রাক্টর দিয়ে জমি কাদা করা হচ্ছে, কোথাও ধানের চারা তোলা চলছে, আবার কোথাও সারিবদ্ধভাবে রোয়াই ব্যস্ত কৃষকরা। বিশেষ করে রাজাডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত ( Rajadanga Gram Panchayat) – এর উত্তরমাঝ গ্রাম এলাকায় বোরো চাষের ব্যাপক প্রস্তুতি চোখে পড়ছে।
কৃষকদের দাবি, বোরো ধান সম্পূর্ণভাবে সেচ নির্ভর ফসল।পশ্চিমবঙ্গ জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন দপ্তর ( West Bengal Water Resources Investigation and Development ) এর তত্ত্বাবধানে থাকা ক্যানেলগুলিতে নিয়মিত জল সরবরাহ হওয়ায় চাষের কাজে গতি এসেছে। সময়মতো জল পাওয়ায় এবার ফলন ভালো হওয়ার আশাবাদী তাঁরা।
এক কৃষকের কথায়, ‘ বোরো ধানের জন্য ক্যানেলের জলই আমাদের প্রধান ভরসা। জল ঠিকমতো পেলে ফলন ভালো হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার লাভের মুখ দেখব বলেই আশা করছি।’
তিস্তার জল আর কৃষকদের কঠোর পরিশ্রম – এই দুইয়ের সমন্বয়েই আগামী দিনে সোনালি ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি চলছে ক্রান্তি ব্লকে। গ্রামীণ অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


