Aaj India, দক্ষিণ 24 পরগনা: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই তীব্র হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিক লড়াই। সেই প্রেক্ষাপটে ভাঙড়(Bhangar) ও ক্যানিং(Canning)পূর্বে তৃণমূল(TMC) এবং আইএসএফ(ISF)-কে কেন্দ্র করে নতুন করে অশান্তি ছড়াল। সংঘর্ষের কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা(Shaukat Molla) এবং আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলাম(Arabul Islam)।
সূত্রের খবর, সোমবার রাতে ঘটনায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। তৃণমূলের অভিযোগ, ঘটকপুকুর থেকে হাতিশালার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় শওকত মোল্লার গাড়িকে লক্ষ্য করে আইএসএফ কর্মীরা ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। তাদের দাবি, শুধু স্লোগানেই থেমে থাকেননি তাঁরা – শওকতের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলাও চালানো হয়।
এই ঘটনার প্রতিবাদে রাতেই হাতিশালা মোড়ে রাস্তায় বসে বিক্ষোভে সামিল হন শওকত মোল্লা ও তাঁর অনুগামীরা। দীর্ঘক্ষণ অবরোধের জেরে কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়ে যান চলাচল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিস বাহিনী। পরে গভীর রাতে আইএস এফ-এর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন শওকত মোল্লা।
এদিকে, অশান্তির রেশ ছড়িয়ে পড়ে ক্যানিং পূর্ব বিধানসভাতেও। আইএসএফ-এর হয়ে প্রচার চালানোর সময় আরাবুল ইসলামের ওপর তৃণমূল কর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। আরাবুল ইসলামের দাবি, তাঁর কর্মী-সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে এবং নির্বাচনী প্রচারে বাধা দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন পুলিস তদন্তে নেমে দুই আইএসএফ কর্মীকে আটক করে। এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দেন আরাবুল ইসলাম। তাঁর অভিযোগ, প্রকৃত দুষ্কৃতীদের আড়াল করে পুলিস উল্টে তাঁর দলের কর্মীদেরই ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। এর প্রতিবাদে ক্যানিং পূর্বের চন্দনেশ্বর এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে নামেন আরাবুল ইসলাম ও তাঁর সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতার করতে হবে এবং আটক আইএসএফ কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।


