কলকাতা: দোরগোড়ায় ভোট। এদিকে, ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতা নিয়ে একাধিকবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পুর দুর্নীতি মামলার ডায়েরি ফের খুলল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট বা ইডি (ED)। শুক্রবার এই মামলার তদন্ত হিসেবে রাজ্যের দুই মন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose) এবং রথীন ঘোষকে (Rathin Ghosh) তলব করে ইডি।
এর আগে চলতি সপ্তাহেই তিনবার তৃণমূল বিধায়ক দেবাশিস কুমারকে জমি দখলের মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। অভিযুক্ত তিনজনই এবার নিজেদের পুরনো কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী—সুজিত বিধাননগরে, রথীন (Rathin Ghosh) মধ্যমগ্রামে এবং দেবাশিস রাসবিহারীতে। এই প্রেক্ষিতে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে।
দলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ভোটের আগে বিজেপি নতুন ‘শরিক’ নামিয়েছে, তবে তা রাজনৈতিক নয়, নির্বাচন কমিশন ও এনআইএ-র পর এবার ইডিও (ED) সক্রিয় হয়েছে। তিনি দাবি করেন, দিল্লি ভোটের আগে যেমন আবগারি মামলায় তৎপরতা দেখা গিয়েছিল, তেমনই এখানেও একই কৌশল নেওয়া হচ্ছে। সূত্রের খবর, সুজিতকে ফের সোমবার ও রথিনকে বুধবার তলব করা হবে।
পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলা
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোবরে পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মন্ত্রী রথীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি (ED) এবং তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। পরে ২০২৪ সালের জানুয়ারি ও ২০২৫ সালের অক্টোবরে মন্ত্রী সুজিতের (Sujit Bose) দফতর ও বাড়িতেও ইডি অভিযান চালায়। তাঁর ঘনিষ্ঠদের একাধিক ঠিকানাতেও তল্লাশি হয়েছিল।


