কলকাতা: পদ্মশ্রী পুরস্কার পেয়েছেন প্রায় ২ সপ্তাহ আগে। তার সম্বর্ধনা জানাতে শনিবার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের (Prosenjit Chatterjee) বাড়িতে হঠাৎ হাজির হলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ও রুদ্রনীল ঘোষেরা। আপেক্ষিকভাবে ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলে বিজেপির নেতৃত্ব দাবী করলেও নির্বাচনের আগে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না জল্পনা। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞমহল।
দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিশিষ্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাজ্যের ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ তুলে দিচ্ছে তৃণমূল (TMC)। ১৩ জানুয়ারি রঞ্জিত মল্লিকের বাড়ি গিয়ে তাঁর হাতে উন্নয়নের পাঁচালি তুলে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়েও চলছে জল্পনা। তবে কি তৃণমূলের ‘রিপোর্ট কার্ড’-এর পাল্টা হিসেবেই প্রসেনজিতের (Prosenjit Chatterjee) হাতে রামলালার ফটো তুলে দিল বিজেপি?
রাজনীতিতে সেলিব্রিটি মুখ
বলা বাহুল্য, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তারকাদের যুক্ত হওয়া নতুন বিষয় নয়। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তার অন্যতম উদাহরণ। টলিউডের ‘নতুন মুখ’-দের নিয়ে বাহিনী সাজিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার মধ্যে রয়েছেন দেব, মিমি, নুসরাত, জুন মালিয়া, সায়ন্তিকা, সায়নী ঘোষ, সোহম, কৌশানীর মত অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। যদিও রাজনীতি থেকে ছিটকে গেছেন চিরঞ্জিত। স্পষ্টভাবেই সেই কথা জানিয়ে দিয়েছেন অভিনেতা।
অন্যদিকে, বিজেপির (BJP) ঝুলিতে রয়েছেন কেবল লকেট চট্টোপাধ্যায়, রূপা গাঙ্গুলির মত বরিষ্ঠ তথা দাপুটে অভিনেত্রীরা। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও বাংলা সিনে জগতের অন্যতম অভিজ্ঞ মুখ। তবে কি তৃণমূলের দুর্গ ভাঙতে সিনে জগতের নবীনদের সামনে প্রবীণদের দাঁড় করাতে চাইছে বিজেপি। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee) যদিও রাজনীতিতে পা রাখার বিষয়ে মুখ খোলেননি। তবে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে বাংলা দখলের লড়াইয়ে মরিয়া বিজেপির প্রতি পদক্ষেপের উপর শ্যেনদৃষ্টি রাখছে রাজ্যবাসী, তা বলাই বাহুল্য।


