28 C
Kolkata
Tuesday, April 7, 2026
spot_img

৪০ হাজার বাদ যেতেই “আমার বয়েই গেল”! কে বললেন?

কলকাতা: আত্মবিশ্বাস না-কি আতঙ্ক ঢাকার চেষ্টা? সোমবার রাতে প্রকাশিত হয়েছে শেষ ‘সাপ্লিমেন্টারি তালিকা’। সব মিলিয়ে মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা ৯১ লক্ষেরও বেশি। সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে মুর্শিদাবাদ, মালদা জেলায়। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার মাধ্যনে এই ঝাড়াই, বাছাই, সাফাই অভিযানে কি ঘাবড়ে গিয়েছে তৃণমূল? অবশ্য এমনটাই মনে করছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি।

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নিজের গড় ভবানীপুরে বাদ গিয়েছে প্রায় ৪০ হাজার নাম। সেই নিয়ে অবশ্য মাথা ঘামাচ্ছেন না, সোমবার বেথুয়াডহড়ির জনসভা থেকে বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমার ভবানীপুরে ৪০ হাজার বাদ দিয়েছে। তাতে আমার বয়েই গেছে! আমি অখানে মানুষের আশীর্বাদে, ভালবাসায় ৩৬৫ দিন থাকি। আমি বসন্তের কোকিল নই”। সেইসঙ্গে ভবানীপুরে শুভেন্দুর হার নিশ্চিত বলে তিনি বলেন, “এবার আমও যাবে, ছালাও যাবে”।

এখন প্রশ্ন উঠছে, এটা কি আত্মবিশ্বাস? নাকি ভোটে নাম বাদ যাওয়ার সত্যিই প্রভাব আন্দাজ করে আতঙ্ক চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন মুখ্যমন্ত্রী? প্রসঙ্গত। এর আগেও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে মমতা (Mamata Banerjee) বলেছেন, “ভবানীপুরে আমিই জিতব।” অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা কটাক্ষ করে দাবি করেন, “ওঁকে ভোট দেওয়ার মতো কেউ থাকবে না।” একই সঙ্গে ভবানীপুরে নিজের জয় নিশ্চিত জানিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এই পরিস্থিতিতে মূল প্রশ্ন উঠছে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য কি নিছক আত্মবিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ, নাকি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার সম্ভাব্য প্রভাবকে আড়াল করার কৌশল?

নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিতর্ক যেকোনও নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে, বিশেষত যখন তা বড় সংখ্যার সঙ্গে যুক্ত থাকে। অন্যদিকে, শাসকদল এই বিষয়টিকে ততটা গুরুত্ব না দিয়ে জনভিত্তির ওপর আস্থা রাখার বার্তা দিতে চাইছে।সব মিলিয়ে, ভবানীপুরের এই লড়াই শুধু একটি কেন্দ্রের ফলাফল নির্ধারণ করবে না, বরং রাজ্যের বৃহত্তর রাজনৈতিক বার্তাও বহন করতে পারে। এখন দেখার, বাস্তব ভোটের ময়দানে কার আত্মবিশ্বাস কতটা সঠিক প্রমাণিত হয়।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন