Aaj India Desk, কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে সম্প্রতি দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির জাতীয় কনভেনার আরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করে কমিশন ও বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন। তাঁর মন্তব্য নিয়েই শুরু হয় নতুন জল্পনা।
কেজরিওয়াল অভিযোগ করেন, বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে, যা গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা ক্ষুণ্ণ করছে। তিনি লেখেন, “ওই ঘটনা যা দিল্লি নির্বাচনের সময় ঘটেছিল, তা এখন পশ্চিমবঙ্গে ঘটছে।”
উল্লেখ্য, কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দিল্লি এক্সাইজ পলিসি মামলা এখনও আদালতে চলছে। দিল্লি হাইকোর্টে ED-এর আবেদন এবং কেজরিওয়ালের প্রতিক্রিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি রাজনৈতিকভাবে সতর্ক থাকছেন। ফলে কেজরিওয়ালের এই বক্তব্য পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত কিনা তা নিয়ে চলছে জল্পনা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কেজরিওয়ালের এই সমর্থন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে AAP আর তৃনমূল কংগ্রেসের মধ্যে সম্ভাব্য কৌশলগত সম্পর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে। একদিকে যেমন দিল্লি নির্বাচনে AAP এর নির্বাচনী অভিজ্ঞতা তৃনমূলের সমর্থন শক্তিশালী করতে ব্যবহার হতে পারে, তেমনই ক্ষমতায় থাকা শাসক দল তৃণমূলকে ব্যবহার করে আরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) নিজের রাজনৈতিক জীবনে ফের প্রবেশ করতে পারেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের আগে বিজেপির বিরোধিতা ও নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। কেজরিওয়ালের মন্তব্য রাজনৈতিক আবহকে আরও তীব্র করে তুলেছে। এটি নির্বাচনপ্রচারে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভোটার সুরক্ষা ও প্রশাসনের নিরপেক্ষতার প্রশ্ন উত্থাপন করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কেজরিওয়ালের সমর্থন তৃনমূল কংগ্রেসের জন্য মাল্টি স্ট্র্যাটেজিক সুবিধা হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে পশ্চিমবঙ্গের ভোটাররা এটি কিভাবে গ্রহণ করবেন, তা নির্বাচনের দিনই স্পষ্ট হবে।


