কলকাতা: বাক্যবাণে আবার উত্তাল রাজনীতি! কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) মন্তব্য ঘিরে নতুন করে সামনে এল সেই পুরনো প্রশ্ন! বিপক্ষকে আক্রমণ করতে গিয়ে কি শালীনতার সব সীমা ভেঙে দিচ্ছেন ভারতের নেতা-মন্ত্রীরা? মঞ্চে নীতি বা গঠনমূলক সমালোচনা নয়, বরং ব্যক্তিগত কটাক্ষই যেন হয়ে উঠছে প্রধান অস্ত্র। ঠিক যেমন রবিবার অমিত শাহকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পদের কথাটাও হয়ত ভুলে গেলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)।
X Link: https://x.com/ANI/status/2040701374942576643
এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বলেন, অমিত শাহের “টাক মাথায় সবুজ রং মাখাবো। উনি ভোটের সময় বাংলায় ১৫ দিন থাকবেন বলেছেন। আমি বলবো অন্তত ৪ মে যেন উনি পশ্চিমবঙ্গেই থাকেন”। কল্যাণ আরও বলেন, “এবার অমিত শাহ এমনভাবে পরাজিত হবেন যে, তাঁর ‘চাণক্য’ উপাধিটিই অর্থহীন হয়ে যাবে…আমরা তাঁকে অনুরোধ করছি, আগামী ৪ঠা মে তিনি যেন কলকাতাতেই উপস্থিত থাকেন…”।
X Link: https://x.com/ians_india/status/2040655004672176253
অপরদিকে শালীনতাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে বাক্যবাণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) ‘ব্যক্তিগত আক্রমণ’-এ পিছিয়ে নেই বিজেপিও। শুভেন্দু অধিকারীর মুখে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইঙ্গিত করে “বেগম”, “খালা”, “চটি” বলতে শোনা গিয়েছে। সম্প্রতি ভাষণ দিতে গিয়ে সীমা লঙ্ঘন করেন দাপুটে নেতা দিলীপ ঘোষ। যা নিয়ে ব্যাপক চর্চা হয়। এখন প্রশ্ন উঠছে, শাসক হোক বা বিরোধী, এই ভাষার রাজনীতিতে কি ক্রমশ ম্লান হচ্ছে পদের মর্যাদা, দায়বদ্ধতা আর গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি?


