কলকাতা: ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (SIR) মত জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হচ্ছে না, এই নিয়ে ক্ষোভ উঠেছে সমাজের প্রায় প্রতি স্তরেই। সেই একই, এসআইআর-এ “তাড়াহুড়ো” নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন (Amartya Sen)।
তিনি বলেন, এসআইআরের মত এত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ “তাড়াহুড়ো” করে করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত সময় নিয়ে যত্ন সহকারে করা উচিৎ ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তা দুর্ভাগ্যবশত হচ্ছে না। এরপর শান্তিনিকেতনের ভোটার হিসেবে সমস্ত তথ্য সরকারের কাছে জমা থাকা সত্ত্বেও “ভোটারাধিকার নিয়ে প্রশ্ন” বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অমর্ত্য সেন(Amartya Sen)। তিনি বলেন, “আমি আগেও শান্তিনিকেতন থেকে ভোট দিয়েছি। আমার নাম, ঠিকানা সহ যাবতীয় তথ্য সরকারই রেকর্ডে রয়েছে। অথচ আমার ভোটারাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, শান্তিনিকেতনের প্রবাসী ভোটার অমর্ত্য সেনের (Amartya Sen) প্রতীচী বাড়িতেও এসআইআর (SIR) শুনানির নোটিশ যায়। মায়ের সঙ্গে অর্থনীতিবিদের বয়সের পার্থক্য মাত্র ১৫ বছর থাকায় ‘তথ্যগত ভুলের’ কারণ দর্শীয়ে চিঠি যায় তাঁর কাছে। অমর্ত্যর মতে, এসআইআর নিয়ে বর্তমানে যা ঘটছে তা “ভোটারদের প্রতি তো বটেই, গণতন্ত্রের প্রতিও আঘাত”।
উল্লেখ্য, রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া প্রায় শেষের মুখে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুনানি প্রক্রিয়া সমাপ্ত এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও এসআইআর শুনানির নামে “হয়রানি”-র অভিযোগে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ চলছে। আমজনতা থেকে শুরু করে শাসকদলের নেতা-মন্ত্রী-সাংসদ, ক্রীড়াবিদ, অভিনেতা, নোবেলজয়ী এমনকি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রপৌত্রকে পর্যন্ত এসআইআর শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়েছে।


