কলকাতা: বাঙালি, অসমিয়া খাবারের পরিবর্তে হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper) ট্রেনে ‘ভেজ খাবার’! সমাজমাধ্যমে ‘প্লেটে হস্তক্ষেপ’ অভিযোগে মোদীকে তুলোধোনা করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রসঙ্গত, ১৭ জানুয়ারি মালদা টাউন স্টেশন থেকে হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।
শোনা যাচ্ছিল, হাওড়া থেকে ছাড়ার সময় বন্দে ভারত স্লিপারে বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হবে। গুয়াহাটির মেফেয়ার স্প্রিং ভ্যালি রিসোর্ট এবং আইয়ারসিটিসি মিলে বাঙালি ও অসমিয়া থালির মেনু নির্ধারণ করে। যেখানে বলা হয়েছিল, বন্দে ভারত স্লিপারে বাসন্তী পোলাও, ছোলার ডাল, ধোঁকার ডালনার মত বাঙালি খাবার পাওয়া যাবে। পাশাপাশি মেনুতে থাকবে জোহা রাইস, মাতি মোহর, মুসুর ডাল এবং সবজি।
“বাঙালিদের মুঘল তকমা দিতে চাইছে মোদী সরকার”
কিন্তু মাছে-ভাতে বাঙালি হোক বা অসমিয়া, খাবারের মেনুতে মাছ মাংস না থাকায় ভোটের পর ‘প্লেটে হস্তক্ষেপ’ বলে সরব হয়েছে তৃণমূল। বৃহস্পতিবার এক্সে তৃণমূলের (TMC) তরফে কটাক্ষ করা হয়, “সম্প্রতি বাংলাকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper) দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু তিনি উল্লেখ করেননি যে মেনু থেকে মাছ-মাংস বাদ দেওয়া হবে”।
X Link: http://x.com/AITCofficial/status/2014253413660524778
মাছ-মাংসপ্রিয় দুই অঞ্চলের মানুষের খাদ্যাভ্যাস উপেক্ষা করে এই সিদ্ধান্ত আসলে এক বৃহত্তর ‘একদেশ, এক পরিচয়’ চাপিয়ে দেওয়ার মানসিকতার প্রতিফলন। তৃণমূলের মতে, আজ খাবার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, আগামী দিনে পোশাক, সম্পর্ক ও জীবনযাপনও নিয়ন্ত্রিত হবে—যা বাংলার বহুত্ববাদী সংস্কৃতির ওপর সরাসরি আঘাত। অভিযোগ, “বাঙালিদের মুঘল তকমা দিতে চাইছে মোদী সরকার”।


