Aaj lndia Desk, নয়াদিল্লি: টি -টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup) -এর পর ক্রিকেট অন্দরমহলে যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir), তা এখন সরাসরি ইস্তফার পথে ঠেলে দিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই তাঁর সেই ছবি ভাইরাল হয়েছে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র সাসপেন্স সৃষ্টি করেছে।
ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশ এই ঘটনার জন্য গভীর শোক প্রকাশ করলেও, অন্যদিকে কিছু জন ইতিবাচক সুরেই তা মেনে নিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন এখন একটাই কেন এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন গম্ভীর?
নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা তুঙ্গে, সোশ্যাল মিডিয়ায় গম্ভীরকে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন রসদ ছড়িয়ে পড়ছে। কিছু ভিডিও ও পোস্ট দেখাচ্ছে পরিস্থিতি কতটা জটিল, গম্ভীর কি সত্যিই ইস্তফার পথে ?
মোটেও না, ঘটনাটি একেবারেই ভিন্ন , যা জানলে আপনিও চমকে যাবেন , সোশ্যাল মিডিয়ার ডিপফেক ঝড়ের শিকার এখন অনেকেই সচিন তেন্ডুলকর, সারা তেন্ডুলকর থেকে শুরু করে ক্যাটরিনা কাইফ, আলিয়া ভট্ট, কাজল, রশ্মিকা মান্ধানার মতো তারকারা সবাই এই প্রযুক্তির ছোঁয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। এমনকি কিংবদন্তি অমিতাভ বচ্চনও নীরব থাকতে পারেননি তিনি সরবভাবে এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন , তবে আবার গৌতম গাম্ভীর (Gautam Gambhir) ও তারই শিকার হলেন।
বর্তমান জাতীয় দলের হেড কোচ গৌতম গাম্ভীর ( Gautam Gambhir) দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিযোগ, তাঁর নাম, মুখ ও কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো ডিপফেক ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে।
গম্ভীরের আইনজীবীর দাবি, ‘গত কয়েক মাস ধরে ইন্টারনেটে এমন ভিডিওর সংখ্যা বাড়ছে, যেখানে তাঁকে এমন মন্তব্য করতে দেখানো হয়েছে যা বাস্তবে তিনি করেননি।’ একটি ভিডিওতে তাঁকে ভারতীয় দলের কোচ পদ থেকে ইস্তফা দিতে দেখা গিয়েছে, যা প্রায় ২৯ লক্ষ বার দেখা হয়েছে। আরেকটি ভিডিওতে বিশ্বকাপ খেলার মন্তব্য, যা প্রায় ১৭ লক্ষ মানুষের নজরে এসেছে। এই মামলায় গম্ভীর একাধিক বড় প্ল্যাটফর্মকেও জড়িয়েছেন অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট, মেটা, এক্স এবং গুগল-এর মতো সংস্থা। অভিযোগ, এই সব প্ল্যাটফর্মে তাঁর নাম, ছবি এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে অনুমতি ছাড়াই পোস্ট এবং সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছে।
গম্ভীর আদালতে দাবি করেছেন, তাঁর অনুমতি ছাড়া কেউই তাঁর পরিচয় ব্যবহার করতে পারবে না এবং ভুয়ো ভিডিও ও পোস্ট অবিলম্বে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হোক। পাশাপাশি, তিনি ২.৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়েছেন।
আইনজীবীর মতে, ‘এটি শুধু ব্যক্তিগত সম্মানের বিষয় নয়, বরং আইনের আওতায় গুরুতর অপরাধ। পরিচয় ব্যবহার করে ভুল তথ্য ছড়ানো এবং অর্থ উপার্জন করা আইনত দায়বদ্ধ।’
নেটিজেনদের মধ্যে ইতিমধ্যেই এই মামলাকে ঘিরে আলোচনা তীব্র, বিশেষ করে ক্রীড়া ও সোশ্যাল মিডিয়া জগতে কিভাবে আইনের সাহায্যে ডিজিটাল স্বত্ত্ব রক্ষা করা যায় তা নিয়ে।


