রেজিনগর: মাথায় পাগড়ি পরে বাবরি যাত্রায় হাঁটছেন হুমায়ুন কবির (Humayun Kabir)। মেলেনি অনুমতি, মাইক বাজানো নিয়েও রয়েছে পুলিশি নিষেধাজ্ঞা। তা সত্ত্বেও রেজিনগরের ১২ নং জাতীয় সড়কে নিজে বাইক চালিয়ে পৌঁছন জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন (Humayun Kabir)। রেজিনগর থেকে নিজের সাথীদের নিয়ে পায়ে হেঁটে বাবরি যাত্রা শুরু করেন তিনি। বেলডাঙা পর্যন্ত পদযাত্রা করছেন তিনি।
মন্দিরে ঠিক, মসজিদে দোষ কেন?
মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে ১২ নং জাতীয় সড়কের কাছে শুরু হয়েছে বাবরি মসজিদ নির্মাণের কাজ। এই আবহে বাবরি যাত্রা শুরু করেছেন ভরতপুরের সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবির (Humayun Kabir)। পদযাত্রার জন্য পুলিশি অনুমতি নিয়েই শুরু হয় গেরো। এদিন পলাশি থেকে ইটাহারের পরিবর্তে পলাশি থেকে রেজিনগর পর্যন্ত মিছিলের দাবী করেন হুমায়ুন কবির (Humayun Kabir)। কিন্তু অনুমতি চাওয়া হয়নি বলে পাল্টা জানায় পুলিশ।
পলাশির তোরণ থেকে রেজিনগর পর্যন্ত বাইকে গিয়ে ১২ নং জাতীয় সড়ক ধরে বেলডাঙা পর্যন্ত পদযাত্রা করছেন তিনি। বিজেপি-তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে পদযাত্রার আগে তিনি বলেন, “সনাতনদের একাংশ রাম মন্দির করবে, জগন্নাথ মন্দির করবে, মহাকাল মন্দির করবে, আর মুসলমানরা তাঁদের মসজিদ বানালেই দোষ?” তিনি আরও বলেন, “আমার বাড়িতে সন্তানের জন্ম হলে তার নাম বাবর, হুমায়ুন, আয়াতোল্লা খামেইনি যা ইচ্ছা রাখতে পারি। এখানে কার কি বলার আছে!”
এদিনের পদযাত্রা থেকেও আসন্ন নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হারবেন বলে হুংকার তোলেন হুমায়ুন। তিনি বলেন, “কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ হিন্দুদের আস্থা নিয়ে ভোটের রাজনীতিতে মন্দির করবে, সেটা বৈধ। অথচ মুসলিম মসজিদ বানাতে পারবে না। মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, মালদায় এক হাজার বাবর নামের লোক আছে। তাতে মোদী-মমতা কি করতে পেরেছে?”


