21.3 C
Kolkata
Wednesday, February 25, 2026
spot_img

ই-অটোর চাবিতে স্বনির্ভরতার স্বপ্ন: তামিলনাড়ুতে মৎস্যজীবী মহিলাদের পাশে সোনোয়াল

পৌলমী ব্যানার্জী, চেন্নাই: উপকূলের ভোর মানেই মাছের ঝুড়ি আর দৌড়ঝাঁপ। সেই চেনা ছবিতে এবার যোগ হল নতুন অধ্যায়—মৎস্যজীবী মহিলাদের (fisherwomen) হাতে তুলে দেওয়া হল বৈদ্যুতিক অটো। তামিলনাড়ুতে এই নতুন উদ্যোগের সূচনা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোওয়াল (Sarbananda Sonowal)। নারীর আর্থিক স্বাধীনতাকে সামনে রেখেই চালু হল এই প্রকল্প।

তথ্য অনুযায়ী, উপকূলবর্তী এলাকার মৎস্যজীবী মহিলাদের(fisherwomen)বাজারে যাতায়াত সহজ করা, পরিবহণ খরচ কমানো এবং আয় বাড়ানোই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এতদিন অনেকেই মাছ বিক্রির জন্য অন্যের গাড়ির উপর নির্ভরশীল ছিলেন, ফলে লাভের বড় অংশ চলে যেত ভাড়ায়। ই-অটো পেলে তাঁরা সরাসরি বাজারে গিয়ে নিজেরাই বিক্রি করতে পারবেন।

জানা গেছে, নারীদের স্বনির্ভর না করলে উপকূলীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না। এই উদ্যোগ শুধু পরিবহণ নয়, এটি নারী ক্ষমতায়নের বাস্তব পদক্ষেপ।এ ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে ধাপে ধাপে আরও মহিলাকে এই পরিষেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বলা যেতে পারে বৈদ্যুতিক অটো ব্যবহারে জ্বালানি খরচ কমবে এবং পরিবেশ দূষণও হ্রাস পাবে। পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় তুলনামূলক কম হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদে সঞ্চয় বাড়বে।

উপকারভোগীদের জন্য চালনা প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে তাঁরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নতুন দায়িত্ব নিতে পারেন।

এদিকে জানা গেছে ,ভোরবেলা দূরের বাজারে পৌঁছানো ছিল বড় সমস্যা। অনেক সময় পরিবহণ না পেয়ে মাছ নষ্ট হত। এখন নিজস্ব ই-অটো থাকায় সময় বাঁচবে, আয়ও বাড়বে। তাঁদের কথায়, “এটি শুধু গাড়ি নয়, আমাদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ।”

তাই এই মতে, এই পদক্ষেপ গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থান ও মর্যাদা—দুই ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সঙ্গে নারী ক্ষমতায়নের মেলবন্ধন ঘটিয়ে তামিলনাড়ুতে নতুন বার্তা দিল এই উদ্যোগ মৎস্যজীবী মহিলারা (fisherwomen)।

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন