Aaj India Desk, কলকাতা: ফল প্রকাশের পর অনেক পড়ুয়াই বুঝতে পারে না কোন বিষয় বেছে নেবে, ভবিষ্যতে কোন পথে এগোবে। পরিবার বা পরিচিতদের পরামর্শে অনেক সময় পছন্দের বিষয় থেকেও সরে যেতে হয়। এই পরিস্থিতি বদলাতে মাধ্যমিকের পর থেকেই ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং (Career counseling) চালুর পরিকল্পনা করছে পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা পরিষদ। সোমবার দায়িত্ব গ্রহণের পর এমনই জানালেন পর্ষদের নতুন সভাপতি পার্থ কর্মকার।
সভাপতি জানান, বর্তমানে পর্ষদ বছরে দু’বার কাউন্সেলিং করে। একবার মাধ্যমিকের পর, যেখানে মূলত বিজ্ঞান বিষয়ে আগ্রহ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। অন্যটি উচ্চমাধ্যমিকের পর, যা প্রধানত যৌথ প্রবেশিকা পরীক্ষাকেন্দ্রিক। তবে এবার সেই কাঠামো বদলে সব বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং এর (Career counseling) ভাবনা রয়েছে।
তাঁর কথায়, “এই ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং (Career counseling) শুধু বিজ্ঞান নয়, যে কোনও বিষয় নিয়েই হবে। পড়ুয়ারা কোন বিষয় পড়লে ভবিষ্যতে কী সুযোগ পেতে পারে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হবে।” উচ্চমাধ্যমিকের পরও বিষয়ভিত্তিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। পর্ষদ সূত্রে খবর, চলতি বছর থেকেই এই নতুন কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া চালুর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে মাধ্যমিকের পর বিষয় নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা কমানোই মূল উদ্দেশ্য।
এদিকে এ বছর থেকে বার্ষিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরিবর্তে সেমেস্টার পদ্ধতি চালু হয়েছে। প্রথম বছরেই তৃতীয় ও চতুর্থ সেমেস্টারের আগে পাঠ্যবই না পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই প্রসঙ্গে সভাপতি বলেন, আগের সভাপতির সময়ে শুরু হওয়া কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে যাতে ভবিষ্যতে বই বিতরণ বা অন্য কোনও প্রশাসনিক সমস্যায় পড়ুয়াদের ভোগান্তি না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হবে। তাঁর বক্তব্য, পড়ুয়াদের স্বার্থই পর্ষদের অগ্রাধিকার।


