কলকাতা: সাম্প্রতিককালে এত জোরালো ভূমিকম্প (Earthquake) অনুভব করেনি তিলোত্তমা! আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় মানুষের ঢল। খালি হয়ে গিয়েছে নবান্ন, বিধানসভা, সিইও দফতর সহ শহরের অধিকাংশ অফিস। আফটার শকের (After Shock) আতঙ্কে ভবনে প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছেন মানুষ। একাধিক অফিসে ফাটল দেখা গিয়েছে বলে জানাচ্ছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
উৎসস্থল থেকে কলকাতার দূরত্ব ১০০ কিলোমিটারের কম
জানা গিয়েছে ভয়াবহ এই ভূমিকম্পের (Earthquake) উৎসস্থল বাংলাদেশের সাতক্ষীরা থেকে ১৭ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে। ভূপৃষ্ঠ থেকে উৎসস্থলের দূরত্ব ১০ কিলোমিটারের কম। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫। রিখটার স্কেলে পাঁচের বেশি মাত্রার ভূমিকম্পকে যথেষ্ট জোরালো বলে মনে করা হয়। এদিন কলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গা, এছাড়াও দুই মেদিনীপুর, হাওড়ায়, হুগলীতে ব্যাপক কম্পন অনুভূত হয়। উৎসস্থলের দূরত্ব টাকি থেকে মাত্র ২৬ কিলোমিটার।
অফিসপাড়া থেকে আবাসনের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক
এদিন দুপুর ১:২২ মিনিটে ভয়ংকর ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে ওঠে কলকাতা। ওই সময় নবান্ন, সিইও দফতর, অফিসপাড়া, সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এমনকি বিধানসভা ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন মানুষ। প্রায় ৩-৪ সেকেন্ড ভয়ংকরভাবে দুলছিল বলে জানাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
আফটারশকের (After shock) আতঙ্কে বহুতল ছেড়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন মানুষ। জানা গিয়েছে লেকটাউনের একটি পোশাকের দোকানে ফাটল দেখা দিয়েছে। দুশ্চিন্তার বিষয় হল, দোকানটি খুব বেশি দিনের পুরনো নয়। ভূমিকম্পের তীব্রতা এবং স্থায়িত্বের জন্যই এই ফাটল বলে মনে করছেন দোকানের মালিক। আতঙ্কে দোকানের ক্রেতা-বিক্রেতা রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। একঘন্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও অফিস বা বাড়িতে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন মানুষজন।


