কলকাতা: ভোটের আগে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে জৈন ধর্মের ভাবাবেগে শাণ? বুধবার ভবানীপুরের সভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জৈন “মনস্তম্ভ” ও সন্ত কুটিয়া গুরুদ্বারের গেট উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভাস্থল থেকেই এসআইআর-এর গেরোয় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) দাবী, কমপক্ষে ১ কোটি ২০ লক্ষের বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে। তিনি অভিযোগ করেছেন, লজিকাল ডিসক্রিপেনসির আড়ালে নির্বাচন কমিশন গোপনে কিছু নাম বাদ দিচ্ছে। “লুকিয়ে লুকিয়ে ওরা নাম বাদ দিচ্ছে” এবং কমিশনকে “ছুপা রুস্তম” বলে কটাক্ষ করলেন তিনি।
“ধর্মীয় ভেদাভেদ মানি না”
এদিনের সভা থেকেও তিনি হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন কোনও ধর্মের ভেদাভেদ মানেন না। সকলের অধিকার যেন রক্ষা হয়, সেটা নিশ্চিত করাই একমাত্র লক্ষ্য বলেও উল্লেখ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রচারের ময়দানে নামলেন মমতা?
বলা বাহুল্য, ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে নিজের গড় নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাস্ত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এরপর ভবানীপুর উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে মুখ্যমন্ত্রীত্ব টিকিয়ে রাখেন তিনি। আসন্ন নির্বাচনে তিনি ফের ভবানীপুর থেকেই লড়বেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তার আগে বুধবারের সভা কি নির্বাচনী প্রচারের সূচনা ছিল? জল্পনা বিশ্লেষক মহলে। ভবানীপুরে অধিকাংশ জৈনধর্মী এবং পাঞ্জাবীদেড় বসবাস। সেই জন্যই কি ভোটের ঠিক আছে এই শিলান্যাস অনুষ্ঠান? ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কি তবে এবার প্রচারে নেমে গেলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)? শুরু হয়েছে জল্পনা।


