ঢাকা: প্রায় ২ দশক পর সরকার গঠন করতে চলেছে খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ ন্যাশানালিস্ট পার্টি (BNP)। মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিকেল ৪ টে নাগাদ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তারেক রহমান (Tarique Rahman)। প্রায় দুই দশক ধরে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে নির্বাসিত ছিল বিএনপি (BNP)।
১৩ তম জাতীয় সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়ের মাধ্যমে যার অবসান ঘটল। একই সঙ্গে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসনেরও আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হলো। প্রায় ৩৫ বছর পর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন একজন পুরুষ।
জামাতের হুমকি
শপথ গ্রহণ শুরুর পরেই স্বরূপ তুলে ধরেছে প্রধান বিরোধী দল জামাত-ই-ইসলামী (Jamaat)। একটি বাংলাদেশী দৈনিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান চলাকালীন সংবিধান সংস্কার নিয়ে বিএনপি (BNP)-কে রীতিমত ‘ব্ল্যাকমেইল’ করেছে তাঁরা। জানা গিয়েছে, জামাতের দাবী, বিএনপি সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণে অংশ না নিলে জামাতও সংসদে শপথ নেবে না! দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের এমন ঘোষণায় রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন হিসাব শুরু হয়েছে।
জামাতের পথেই এনসিপি?
পাশাপাশি, জামাতের মত জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)-এর নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও শপথ বয়কট করতে পারেন। বেলা ১২ টায় এনসিপির (NCP) সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার কথা। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বাচিত এনসিপির সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন জানিয়েছেন, বিএনপির (BNP) সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ায় তারাও শপথ না নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
আজ বেলা ১১টার দিকে তিনি বলেন, “বিএনপির এমপিরা শপথ না নেওয়ায় আমরা শপথ না নেওয়ার কথা ভাবছি। তবে এ বিষয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলতে চাইছি না।” তাঁর এই মন্তব্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে অনিশ্চয়তা ও জল্পনা তৈরি হয়েছে।


