25 C
Kolkata
Sunday, March 29, 2026
spot_img

সঙ্কটের মাঝেও মানবিক হাত বাড়াল ভারত! শুরু হলো নতুন করে ডিজেল সরবরাহ

Aaj India, নয়াদিল্লি: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির টান পড়েছে, যার প্রভাব এসে পড়েছে ভারত-সহ একাধিক দেশে। তবে এই উদ্বেগের মাঝেও আবারও প্রতিবেশী বাংলাদেশ (Bangladesh)-এর পাশে দাঁড়াল ভারত। অতিরিক্ত ডিজেল (Diesel) সরবরাহ করা শুরু হয়েছে, এবং জানা যাচ্ছে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও ৬ হাজার টন ডিজেল পাইপলাইনের (Pipeline) মাধ্যমে পাঠানো হবে। সূত্র অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে অসমের নিউমালিগড় তৈল শোধনাগার থেকে মোট ৪০ হাজার টন ডিজেল পৌঁছে দেওয়া হবে বাংলাদেশের পার্বতীপুর ডিপোয়।

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট তীব্র আকার নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ঢাকার তরফে ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেলের আবেদন জানানো হয়। প্রথমে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, দেশের নিজস্ব চাহিদা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন ব্যবহার করে অসমের রিফাইনারি থেকে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই পাইপলাইনের পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পরে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আবার সরবরাহ শুরু হয়। নতুন করে পরিষেবা চালু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পৌঁছেছে। শুধু শুক্রবারই ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে রাশিয়া-র সঙ্গেও এলএনজি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে ভারত। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে রাশিয়াও ভারতকে তেল ও গ্যাস দিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। সূত্রের খবর, ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এবং রাশিয়ার জ্বালানি মন্ত্রীর মধ্যে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রাশিয়া এলএনজি রফতানি বন্ধ রেখেছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা আবার সেই পরিষেবা চালু করতে আগ্রহী। যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড়ও দিয়েছে আমেরিকা। যদিও ভারত নতুন করে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির পথে হাঁটবে কি না, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সংবাদসংস্থা এএনআই(ANI) জানিয়েছে, বছরে বাংলাদেশের ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৪০ লাখ টন, যার পুরোটাই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। পাশাপাশি প্রায় ৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল আমদানি করে তা ইস্টার্ন রিফাইনারিতে শোধন করা হয়, আর বাকি ডিজেল সরাসরি পরিশোধিত অবস্থাতেই আমদানি করা হয়ে থাকে।

 

 

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন