নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের ময়মনসিংহের হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে (Dipu Chandra Das) নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডে অবশেষে মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল বাংলাদেশ পুলিশ। অভিযুক্তের নাম ইয়াসিন আরাফত বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। ধারণা করা হচ্ছে, শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ইয়াসিন। গোট ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ জেলায় ২৭ বছরের হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসের (Dipu Chandra Das) নৃশংস হত্যাকান্ডের পেছনে তাঁরই মূল হাত রয়েছে।
দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলা
বস্তুত, ১৮ ডিসেম্বর বস্ত্র কারখানার সুপারভাইজাররা হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে (Dipu Chandra Das) জোর করে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে। এরপর কর্মস্থল থেকে টেনে বের করে এনে ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতার হাতে তুলে দেয় বলে অভিযোগ। উন্মত্ত জনতা দীপুকে পিটিয়ে হত্যা করার পর গাছের সঙ্গে বেঁধে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। তদন্তকারীরা বলছেন, তার বেশ কয়েকজন সহকর্মীও এই হামলায় অংশ নিয়েছিল। এই ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপের জন্য বাংলাদেশের উপর কূটনৈতিক চাপ বাড়ছিল।
ঘটনার পর আত্মগোপন করেছিল ইয়াসিন
বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকান্ডের পরপরই আত্মগোপন করে ইয়াসিন আরাফত। তদন্তকারীদের মতে, আরাফর নিজের জোড় খাটিয়ে দীপুকে (Dipu Chandra Das) হত্যার জন্য জনতাকে উসকে দেয়। তদন্তকারীদের অভিযোগ, আরাফাত শুধু জনতাকে উস্কে দেননি এমনকি তিনি নিজে দীপুকে টেনে একটি কাছের মোড়ে নিয়ে যান, যেখানে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আরাফাতের গ্রেফতারের সঙ্গে এই মামলায় আটক ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে দাঁড়িয়েছে।


