ঢাকা: নির্বাচনী ময়দানে জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-E-Islami) প্রধান শফিকুর রহমান বাংলাদেশের (Bangladesh) ইতিহাসে প্রথমবার ‘হিন্দু-প্রীতি’ নিয়ে ময়দানে নেমেছেন। কিন্তু তাঁরই দলের এক নেতা আফজল হোসেনের গলায় ‘বিদ্বেষের সুর’ বিদ্যমান।
বাংলাদেশের (Bangladesh) স্বাধীনতার বিরোধিতার অভিযোগে সমালোচিত এবং এক দশকেরও বেশি সময় নির্বাচনী রাজনীতি থেকে ব্রাত্য থাকা দেশের সবচেয়ে বড় “মৌলবাদী” দল জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-E-Islami) প্রধান ভোটের ময়দানে যতই নিজেদের ভাবমূর্তি সংশোধনের চেষ্টা করুক না কেন, তাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে থাকা হিন্দু-বিদ্বেষ কোনভাবেই মুছবে না বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশের (Bangladesh) সংসদীয় নির্বাচনের আগে জামাত-প্রধান শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা যদি সংখ্যালঘু সম্মান না করি, তাহলে বিদ্বেষের মাটিতে আমাদের ভাইদের কারা ভালবাসবে?”
হিন্দু প্রার্থীকে টিকিট দিলেও তাঁকে ক্ষমতার আসনে দেখতে নারাজ জামাত-নেতা
শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) দেশ ছাড়ার পর থেকে হিন্দু-হত্যা, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, হিন্দু মন্দির ও সুফি দরগায় হামলার ঘটনা ঘটে চলেছে। এমনকি ছাড় পায়নি আধ্যাত্মিক লোকসংগীত শিল্পীদের পরিবেশনা থেকে শুরু করে নারী ফুটবল ম্যাচ।
প্রকাশ্যে এই ঘটনাগুলির নিন্দা করলেও, সংখ্যালঘু ও উদারপন্থীদের সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়ে কার্যত হাত গুটিয়েই রয়েছে ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার। এই সুযোগকেই কাজে লাগাতে চাইছে জামাত-ই-ইসলামি (Jamaat-E-Islami)।
তবে প্রধান হিন্দুদের প্রতি গদগদ হলেও এক জামাত নেতা আফজল হোসেন বরগুনার জনসভায় প্রকাশ্যে হিন্দু-বিদ্বেষ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “সংবিধান নয়, আল-কোরানের শাসন চাই। এই দেশ মুসলমানের, কোরানই হবে সংবিধান। কোনও বিধর্মী সংসদে থাকতে পারে না”।


