নয়াদিল্লি: ইরানে যুদ্ধের আঁচ ভারতের আকাশে! জ্বালানি সংকটে (Fuel Crisis) ইতিমধ্যেই ত্রাহি রব ভারতে। এই আবহে বিমানের ভাড়াও (Flight Fare) বাড়িয়ে দিল এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস! দফায় দফায় ভাড়া বাড়ানো হবে বলে জানিয়ে দিল বিমানসংস্থা।
জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট এবং দক্ষিণ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিয়নাল কোঅপারেশন (সার্ক)ভুক্ত দেশগুলিতে যাতায়াতের বিমানভাড়া বাড়ানো হবে। তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা। এই দেশগুলির ক্ষেত্রে প্রতি টিকিটে ৩৯৯ টাকা করে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন এই ভাড়া কার্যকর হবে ১২ মার্চ থেকে।
এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে একাধিক আন্তর্জাতিক রুটে বিমানভাড়া (Flight Fare) বাড়ানো হবে। দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষেত্রে ভাড়া বাড়বে ১০ ডলার, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ২০ ডলার এবং আফ্রিকার ক্ষেত্রে ৩০ ডলার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হবে। এই পর্যায়ের নতুন ভাড়া কার্যকর হবে ১৮ মার্চ থেকে।
তৃতীয় পর্যায়ে পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশে যাতায়াতের ভাড়া বাড়ানো (Flight Fare) হবে। এর মধ্যে রয়েছে হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান। তবে এই পর্যায়ে ঠিক কতটা ভাড়া বাড়বে, তা এখনও জানানো হয়নি। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। এয়ার ইন্ডিয়ার বক্তব্য, তেলের দাম বাড়ায় বিমান চালানোর খরচ বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। তাই যাত্রীদের থেকে ‘ফুয়েল সারচার্জ’ বসানো হয়েছে।
শুধু তেল গ্যাস নয়, বাড়তে পারে এই জিনিসগুলোর দাম
ইরান ও আমেরিকা-ইজরায়েল যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী আটকে দিয়েছে ইরান। যার জেরে সমগ্র বিশ্বে অপরিশোধিত তেল, গ্যাস সরবরাহ থমকে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বেড়ে গিয়েছে তেল, এলপিজির দাম। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, হরমুজ প্রণালী দ্রুত খোলা না হলে জ্বালানির পাশাপাশি ভারতে অন্যান্য ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়বে। এই প্রভাব সার সরবরাহ, উৎপাদন উপকরণ, নির্মাণ সামগ্রী, অ্যাসফল্ট, রাসায়নিক এবং হীরা উৎপাদনের মতো বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রেও ছড়িয়ে পড়তে পারে, বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।


