নয়াদিল্লি: ‘সংরক্ষণ’ আইন বিরোধী আন্দোলনে সম্পূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তন, দাঙ্গা, মৃত্যুমিছিল এমনকি মৌলবাদীদের হাতে চলে যেতে বসেছে ভারতের প্রতিবেশী বাংলাদেশ। এবার এই ‘সংরক্ষণ’ (Reservation) আইন নিয়েই ভারতে ‘নয়া জালিয়াতির’ কথা প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে শুরু করে চাকরি, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংরক্ষণের (Reservation) সুবিধা নিতে ধর্মান্তরের হিড়িক পড়েছে গিয়েছে বলে জানাচ্ছে খোদ সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।
জানা গিয়েছে, পরীক্ষা ও চাকরি পেতে সুবিধার জন্য হিন্দু ধর্ম থেকে ধর্ম পরিবর্তন করে বৌদ্ধ হতে চান এক জাঠ ব্যক্তি। সংরক্ষণের (Reservation) সুবিধা না মেলার অভিযোগ জানালে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ তীব্র ভর্ৎসনা করে আবেদনটি খারিজ করে দেয়। হরিয়ানার দুই NEET PG আবেদনকারীর মামলার শুনানিতে শীর্ষ আদালত প্রশ্ন তোলে, কীসের ভিত্তিতে সংখ্যালঘু শংসাপত্র ইস্যু করা হচ্ছে এবং সতর্ক করে দেয় যে এই ধরনের ধর্মান্তর-নির্ভর দাবি নতুন ধরনের জালিয়াতিতে পরিণত হতে পারে।
আদালত বৌদ্ধ সংখ্যালঘু কোটার আওতায় ওই দুই প্রার্থীকে ভর্তির অনুমতি দিতেও অস্বীকার করে। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই প্রবণতার জেরে সংখ্যালঘুরা তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।” এরপর ওই জাঠ ব্যক্তির উদ্দেশ্যে আদালত বলে, “আপনারা সমাজের অন্যতম ধনী, উচ্চবর্ণের জাতি। চাষাবাদ থেকে শুরু করে বাণিজ্য, শিক্ষা সব দিক থেকেই আপনারা অন্যান্য পিছিয়ে পড়া জাতিগুলোর তুলনায় অনেক এগিয়ে রয়েছেন। যদি আপনাদের মত তথাকথিত উচ্চবর্ণের লোকেরা এই ধরণের আবেদন করেন, তাহলে তা কীভাবে ন্যায্য হয়?


