কলকাতা: রাজ্যের ডিজিপি রাজীব কুমারের উপস্থিতিতে “চুরি” করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক (I-Pac) মামলার শুনানিতে অভিযোগ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি (ED)। পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাকে ‘নথি চুরি’ কান্ডে মুখ্যমন্ত্রীর “আবেটর” বা “সহায়ক” বলে উল্লেখ করলেন ইডির তরফের সওয়ালকারী আইনজীবী এএসজি রাজু।
৮ জানুয়ারির ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে সিবিআই তদন্তেরও আবেদন জানান তিনি। ইডির (ED) তরফের আইনজীবী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা সম্ভবই না। কেননা, খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং ডিজিপির বিরুদ্ধেই গুরুতর অভিযোগ রয়েছে”। এদিন ডিজিপি, সিপিকে সাসপেন্ড করারও আবেদন করে ইডি।
শুনানিতে এএসজি বলেন, গুরুতর অভিযোগ সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) বা শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনো FIR দায়ের করা হয়নি। তিনি আরও জানান, রাজ্য পুলিশ FIR করলে সেটি এমনভাবে তদন্ত করা হবে যা আস্থার নিশ্চয়তা দেয় না।
“দু-নৌকায় পা দিয়ে চলতে পারে না ইডি”
সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও রাজ্য পুলিশের পক্ষে অ্যাডভোকেট অভিষেক মনু সিংভি আইপ্যাক মামলার বিষয়ে ইডির আবেদন তলবের বৈধতা নিয়ে সীমিত আপত্তি জানান। তিনি আদালতে বলেন, ইডি ইতিমধ্যেই একই বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিল এবং এরপরই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে। “একই আবেদন দু’বার করা যায় না, এটি ফোরাম শপিং ছাড়া কিছু নয়,” যুক্তি দেন সিংভি।
তবে বেঞ্চ মন্তব্য করে, পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে, একদিন হাই কোর্ট, অন্যদিন অন্য আদালতও বিষয়টি শুনতে পারে। সিংভি বলেন, সংবেদনশীল মামলায় আবেগ থাকতে পারে, কিন্তু প্রক্রিয়ার শৃঙ্খলা বজায় রাখা জরুরি।


