ইসলামাবাদ: করোনার পর নতুন সংকটে সমগ্র বিশ্ব। তবে এবার ভাইরাস নয়, বিশ্বের একাধিক দেশকে কার্যত স্তব্ধ করে দিতে চলেছে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ! জ্বালানি (Fuel Crisis) যে কেবল যানবাহনের চালিকাশক্তি নয়, বরং এর অভাবে যে একটা গোটা দেশ থমকে যেতে পারে, পদে পদে সেই আভাসই পাচ্ছে সমগ্র বিশ্ব। আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে রেখেছে ইরান। যার জেরে বন্ধ হতে বসেছে ভারতের প্রতিবেশী পাকিস্তান!
জ্বালানি সংকটের (Fuel Crisis) এতটাই তীব্র ঢেউ আছড়ে পড়েছে সেখানে, যে স্কুল, কলেজ বন্ধ, সরকারি অফিসের কাজের দিন কমিয়ে দিতে বাধ্য হল শাহবাজ শরিফ সরকার! শুধু তাই নয়, আগামী দু মাসের জন্য পাকিস্তানের সব সরকারি অফিসে জ্বালানি বরাদ্দ ৫০ শতাংশ কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, জ্বালানি সংকটের (Fuel Crisis) কারণে রেশনিং ব্যবস্থা শুরু করেছে বাংলাদেশ। মোটরসাইকেলের জন্য দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং গাড়ির জন্য ১০ লিটার জ্বালানি নেওয়ার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। জ্বালানি খরচ বাঁচাতে কার্যত লকডাউনের পথে হাঁটছে পাকিস্তান, বলে জানা গিয়েছে।
জ্বালানি সংকটে বিশ্বে ত্রাহি ত্রাহি রব!
শুধু পাকিস্তান নয়, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভিয়েতনামে বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশ, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানি, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোতেও জ্বালানির (Fuel Crisis) দাম বাড়ছে। ভারতের মত ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও পেট্রোল পাম্প, গ্যাস স্টেশনে দীর্ঘ লাইন। ফ্লোরিডা ও লুইজিয়ানায় গ্যাস পাম্পে দাম প্রতি গ্যালনে প্রায় ১১ সেন্ট পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছে। আবার মায়ান্মার থেকে তেল কিনতে নাকি অনেকেই থাইল্যান্ড যাচ্ছেন। হরমুজ প্রণালী দ্রুত চালু না হলে চরম সংকটের মধ্যে পড়বে সমগ্র বিশ্ব, আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।


