ঢাকা: বাংলাদেশে ‘ধানের শিষ’-এর বাজিমাত! ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশের মসনদে বসতে চলেছেন খালেদা জিয়া-পুত্র তারেক রহমান (Tarique Rahman)। শুক্রবার সন্ধে ৬:৪৫ মিনিট নাগাদ বাংলাদেশ সংসদীয় নির্বাচনের ২৯৯ আসনের মধ্যে ২১২ টি আসনই এসে গিয়েছে BNP-র ঝুলিতে।
ইতিমধ্যেই তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) সহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনালাপের কোথাও সমাজমাধ্যমে উল্লেখ করেন নরেন্দ্র মোদী। এক্সে তিনি লেখেন, “তারেক রহমানের (Tarique Rahman) সঙ্গে কথা বলতে পেরে আমি আনন্দিত”। নরেন্দ্র মোদী আরও লেখেন, “বাংলাদেশের নির্বাচনে তাঁর উল্লেখযোগ্য জয়ের জন্য তাঁর প্রতি আমার আন্তরিক অভিনন্দন”।
নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ BNP-র
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক বার্তার প্রেক্ষিতে ধন্যবাদ জানিয়েছে BNP। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তথা বরিষ্ঠ নেতা নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশের জনমতকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) গ্রহণ করেছেন। এজন্য BNP তাঁকে ধন্যবাদ জানায়।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নজরুল ইসলাম খান বলেন, “আশা করি, তারেক রহমানের (Tarique Rahman) নেতৃত্বে ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক মজবুত হবে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমাদের নেতাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাই। গণতান্ত্রিক দেশগুলি জনগণের রায়কেই সম্মান করে।”
বরফ গলার ইঙ্গিত?
প্রসঙ্গত, ২০২৪-এর আগস্ট আন্দোলনে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্কে চিড় ধরে। পদ্মাপাড়ের একাধিক জায়গায় হিন্দু-নিধনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ভারতের শাসকশিবির। সেইসঙ্গে সুযোগ বুঝে চিন ও পাকিস্তানের বাড়বাড়ন্তে সীমা নিয়েও শিরঃপীড়া বেড়েছে ভারতের। তারেক রহমানের (Tarique Rahman) হাত ধরে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা কি ফিরবে? এই প্রশ্ন ঘুরছে বিভিন্ন মহলে। দুই দেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ বার্তায় আশার আলো দেখছে ভারত-বাংলার শান্তিকামী নাগরিক।


