নয়াদিল্লি: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে না জড়িয়ে ভারতের বিরাট কূটনৈতিক জয়! ভারতের পতাকা লাগানো জাহাজে আক্রমণ নয় (Indian Ship)! জানিয়ে দিল ইরান। গতকাল গুজরাট-গামী থাই জাহাজে ড্রোন হামলার পর এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষত, যেখানে হরমুজে (Hormuz) জ্বালানি-বাহী জাহাজ আটকে দেওয়ায়, ভারতে জ্বালানি সংকটের (Fuel Crisis) আতঙ্কে ত্রাহি ত্রাহি রব, সেই আবহে ইরানের এই আশ্বাস আশার ইঙ্গিত দিচ্ছে, বলে মনে করা হচ্ছে।
জানা গিয়েছে, যুদ্ধের ১৩ তম দিনে এই প্রথম হরমুজ প্রণালী দিয়ে একটি জাহাজ মুম্বইয়ে এসে পৌঁছেছে। মনে করা হচ্ছে, ইরানের বিদেশ মন্ত্রী আব্বাস আরাগছির সঙ্গে এস জয়শঙ্করের আলোচনার পর ভারতকে এই বিশেষ অনুমতি দিয়েছে ইরান। এই আলোচনার পরই হরমুজ (Hormuz) দিয়ে ভারতের দুটি জাহাজ (Indian Ship) ‘পুষ্পক’ ও ‘পরিমল’ ভারতে আসার অনুমতি পেয়েছে।
একদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও ইউরোপের ক্ষেত্রে হরমুজ প্রণালী ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত। সেখানে ভারতের ক্ষেত্রে এই বিশেষ অনুমতি, ভারতের জন্য বিরাট কূটনৈতিক জয় বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে চিন ও রাশিয়ার জাহাজের ক্ষেত্রে হরমুজ ব্যবহারের ছাড় ঘোষণা করেছিল ইরান।
গ্যাসের দাম কমবে?
এদিকে, হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় জ্বালানি সংকটের (Fuel Crisis) ঢেউ আছড়ে পড়েছে ভারতে। আরও দাম বৃদ্ধি ও অপ্রতুলতার আতঙ্কে পেট্রোল পাম্প থেকে গ্যাস ডিলারের দোকানের সামনে ভিড় করছেন আমজনতা। ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করে অতিরিক্ত দাম দিয়ে সিএনজি, এলপিজি নিতে হচ্ছে মানুষকে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্যে গত ৩ দিন ধরে একই ছবি ধরা পড়েছে। উল্লেখ্য, ভারতে রান্নার গ্যসের মত চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ আমদানি করতে হয়। যার ৮০-৯০ শতাংশ আসে এই হরমুজ (Hormuz) প্রণালী দিয়ে।


