স্নেহা পাল, অমৃতসর: পাঞ্জাবের অমৃতসরে (Amritsar) শীতের দাপট স্পষ্ট। তাপমাত্রা নেমে এসেছে মাত্র ২ ডিগ্রিতে। ভোরের দিকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে গোটা শহর। সেই কুয়াশার স্তর ভেদ করেই ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে এক নরম সোনালি আভা। প্রশ্ন জাগে এই আলো আসলে কী ?
শীতের ভোরে যে স্থাপত্যটি শান্ত ও স্থির রূপে ধরা দেয়, সেটি আর কিছু নয়, শিখ ধর্মের পবিত্র তীর্থস্থান স্বর্ণমন্দির (Golden Temple)। কুয়াশা যখন ধীরে ধীরে মন্দির চত্বর গ্রাস করে, তখন স্বর্ণমন্দিরের সোনালি গড়ন মৃদু দীপ্তিতে নজর কাড়ে।
চারপাশে তখন ব্যস্ততা কম। ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে দূর থেকে ভেসে আসে গুরুবাণীর সুর। নীরবতা, শীত আর সুর মিলিয়ে পরিবেশ হয়ে ওঠে গভীর ও সংযত। এই সময়ে স্বর্ণমন্দির চত্বরে তীর্থযাত্রীর সংখ্যাও তুলনামূলক কম থাকে, ফলে ভোরের নির্জনতায় তৈরি হয় এক বিশেষ আবহ। অনেক দর্শনার্থীর কাছে এই দৃশ্য আধ্যাত্মিক প্রশান্তির প্রতীক। কুয়াশায় মোড়া এই স্বর্ণমন্দির যেন কোনো শব্দ ছাড়াই মনকে শান্ত করে দেয়।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পাঞ্জাব-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায় আগামী কয়েকদিন শীত ও ঘন কুয়াশার প্রভাব বজায় থাকতে পারে। সকালের দিকে দৃশ্যমানতা কম থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। অর্থাৎ আরো কিছুদিন স্বর্ণমন্দিরের (Golden Temple) এই ঐশ্বরিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে।
শীতল ভোরে কুয়াশার আড়াল থেকে ভেসে ওঠা স্বর্ণমন্দিরের এই দৃশ্য ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আসলে ছবিটি অজ্ঞাতসারেই মনে শব্দহীনভাবে শান্তি ছড়িয়ে দেয়।


