Aaj India desk,নয়াদিল্লি: দেশের শিক্ষা (Education system) ব্যবস্থার এক অদ্ভুত এবং দুঃখজনক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। দ্বাদশ শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা ছিল। এটি পড়ুয়াদের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। গণিত পরীক্ষার দিন, প্রশ্নপত্র হাতে পেয়ে পড়ুয়ারা যখন অতিরিক্ত কোনো সাহায্য বা তথ্যের আশায় প্রশ্নপত্রে দেওয়া কিউআর (QR) কোডটি স্ক্যান করল, তখন যা ঘটল তা কেবল অবিশ্বাস্যই নয়, চূড়ান্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়। সাহায্যকারী কোনো পড়া বা তথ্যের বদলে পড়ুয়াদের ফোনের স্ক্রিনে ভেসে উঠল বিখ্যাত পপ গায়ক রিক অ্যাসলির গান ‘নেভার গনা গিভ ইউ আপ’। ইন্টারনেটের ভাষায় একে বলা হয় ‘রিকরোল’ প্র্যাঙ্ক বা মজা।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, যেখানে কয়েক লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ জড়িয়ে আছে, সেই বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে কি এই ধরণের ‘মজা’ মেনে নেওয়া যায়? প্রশ্নপত্রের কিউআর কোড কেন আগে থেকে পরীক্ষা করে দেখা হলো না? এই ঘটনা কেবল পড়ুয়াদের বিভ্রান্তই করেনি, বরং গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার সময় তাদের মনঃসংযোগও নষ্ট করেছে। পরীক্ষা হলের মতো এক গম্ভীর পরিবেশে এই ধরণের ঘটনা শিক্ষা ব্যবস্থার (Education system) ওপর বিশ্বাস কমিয়ে দেয়।
এটি কেবল একটি যান্ত্রিক ভুল নয়, বরং শিক্ষা ব্যবস্থার (Education system) গাফিলতির এক চরম উদাহরণ। প্রশ্নপত্র তৈরির সময় এবং তা চূড়ান্ত করার আগে যথাযথভাবে প্রতিটি তথ্য যাচাই না করাতে এই ভুল হয়েছে। যেখানে শিক্ষা ব্যবস্থাকে (Education system) আরও আধুনিক এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত করার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে প্রযুক্তির এই ভুল প্রয়োগ পুরো ব্যবস্থার অদক্ষতাকেই তুলে ধরছে।
ডিজিটাল যুগে শিক্ষা ব্যবস্থায় (Education system) প্রযুক্তির ব্যবহার ভালো হলেও, পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এই ধরণের ঘটনা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার করুণ অবস্থাই প্রকাশ করে।


