পৌলমী ব্যানার্জী,গ্যাংটক: আজ সকাল প্রায় ১১:৫০টায় এর গ্যলশিং এলাকায় ৪.৬ মাত্রার ভূমিকম্প (Earthquake)সিকিম-এ অনুভূত হয়েছে। জানা গেছে কম্পনের (Earthquake) অনুভূতি বিস্তৃতভাবে উত্তরবঙ্গের বহু জায়গায় টের পাওয়া গেছে, যদিও তৎক্ষণিক কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।
ভূমিকম্পের(Earthquake)সেই ঝটকা অনুভব হওয়ার পরই পাথুরে পাহাড়ি এলাকাগুলোতে মানুষের ভীতি আবার বাড়তে শুরু করেছে। পাহাড়ের গ্রামগুলোর বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, প্রায়ই কম্পন(Earthquake) অনুভব হওয়ায় ঘর তৈরি কাঠামোর ওপর তাদের আস্থাও কমে এসেছে। বহু পরিবার এখনইই ভাবছে ভবিষ্যতে আরও শক্ত করে কীভাবে নিরাপদ থাকতে পারে। এছাড়া কম্পনের(Earthquake)অনুভূতি পাহাড়ি খাড়া গলিপথে অবস্থানরত পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে, যারা অনেকেই দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় স্কুল-কলেজগুলো আজ সকাল থেকেই বন্ধ রাখা হয়েছে। পাথরভাঙা এলাকা এবং পাহাড়ি খাঁজগুলোর কাছাকাছি অভিযানরত শ্রমিকদেরও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নিরাপদ জায়গায়। বাজার অঞ্চলে ভাট্টা ও নির্মাণাধীন ভবনের কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনগুলোতে মানুষ বাইরে বেরিয়ে আসে এবং কম্পন(Earthquake)আবার আসবে কি না — সেই আশঙ্কায় মুখ খুলছে।
উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্স ও জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় এই কম্পনের (Earthquake)অনুভূতি বাসিন্দারা জানিয়েছে। ভূমিকম্পে(Earthquake)ক্ষতি না হলেও স্মৃতি সতেজ হয়ে ওঠে ২০১১ ও ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের(Earthquake)সম্পর্কে, যখন শিলিগুড়ি-সহ উত্তরবঙ্গের অনেক বাড়িঘরে ফাটল দেখা যায় এবং বহু মানুষ আতঙ্কিত হয়েছিল। মানুষ আবার ঠিক কীভাবে নিরাপদ থাকতে পারে এবং ভবিষ্যতে এমন কম্পনের(Earthquake)সম্ভাবনা কত — সেই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
তবে প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দ্রুত ভূমিকম্প(Earthquake) পরবর্তী টহল জোরদার করেছে। জরুরি পরিষেবাগুলো পর্যাপ্ত প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে যদি কোনো বড় কম্পন(Earthquake) বা আফটারশক হয়, সঙ্গে সঙ্গে সাহায্য পৌঁছানো যায়।
জানা গেছে এই অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ (Prone to Earthquake), কারণ ভারতের প্লেটের চাপ ও অপর প্লেটের সংঘর্ষের জোনটি এখানে কাছাকাছি। তাই মাঝেমধ্যেই ৪-৫ মাত্রার কম্পন(Earthquake)অনুভূত হওয়া স্বাভাবিক, তবে মানুষের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি নিশ্চিত করাই এখন প্রশাসনের এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।


