পৌলমী ব্যানার্জি, তিরুপতি: এতদিন বিতর্ক ছিল লাড্ডুর গুণমান আর ঘি নিয়ে, কিন্তু এখন লড়াই শুরু হয়েছে ‘টাকা’ নিয়ে। তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডু তৈরির ঘি কেনা-বেচার আড়ালে বড় ধরনের আর্থিক জালিয়াতি হয়েছে বলে সন্দেহ করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। অভিযোগ উঠেছে, মন্দিরে নিম্নমানের ঘি পাঠিয়ে যে বিশাল অঙ্কের টাকা আয় করা হয়েছে, তা অবৈধ পথে বা ‘হাওলা’র মাধ্যমে বাইরে পাচার করা হয়েছে।
লাড্ডু তৈরির জন্য যে ঘি ব্যবহার করা হতো, তা নিয়ে অনেকদিন ধরেই অভিযোগ চলছিল। এবার ED খতিয়ে দেখছে যে, ঘি সরবরাহকারী সংস্থাগুলো কীভাবে এই কাজ হাসিল করেছিল। ED তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ব্যবসার আড়ালে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা লেনদেন হয়েছে। এই বিশাল অঙ্কের টাকার উৎস এবং সেটি কোথায় কোথায় পাঠানো হয়েছে, তা জানতেই এই তদন্ত শুরু হয়েছে।
অন্ধ্রপ্রদেশের বর্তমান সরকারের অভিযোগ ছিল যে, আগের সরকারের আমলে কম দামে নিম্নমানের ঘি কেনা হয়েছে। কিন্তু সেই ঘি-এর জন্য যে পরিমাণ সরকারি টাকা খরচ দেখানো হয়েছিল, তার একটি বড় অংশ নাকি প্রভাবশালীদের পকেটে গেছে। এই বেআইনি টাকা লেনদেনের প্রমাণ পেতেই ED এখন ব্যাঙ্কের নথি এবং লেনদেনের হিসেব পরীক্ষা করছে।
সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্তে একটি বিশেষ দল (SIT) তৈরি করে দিয়েছে। তার সাথেই EDর এই নতুন পদক্ষেপ পুরো বিষয়টিকে আরও গম্ভীর করে তুলেছে। যারা এই পবিত্র লাড্ডুর নামে টাকা তছরুপের সাথে যুক্ত, তাদের খুব শীঘ্রই তলব করা হতে পারে বলে জানা গেছে।


