নয়াদিল্লি: মরণফাঁদ হরমুজ (Hormuz)! এবার গুজরাটগামী পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনা সামনে উঠে এল। জানা গিয়েছে, বুধবার হরমুজ (Hormuz) প্রণালীতে ময়ূরী নারী নামক জাহাজটিতে একটি অজানা প্রজেক্টাইলের হামলায় আগুন ধরে যায়। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র এবং জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুসারে, ওমানের উত্তর উপকূল থেকে প্রায় ১১ নটিক্যাল মাইল দূরে গুজরাটগামী জাহাজটিকে টার্গেট করা হয়েছিল। ঘটনার পর থাইল্যান্ড সরকার একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, হামলার পর ২ জন ক্রুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ৩ জন ক্রু এখনও জাহাজটিতে আটকে রয়েছেন।
অজানা প্রজেক্টাইল হামলা
রয়্যাল থাই নেভি এবং যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস উভয়ই জানিয়েছে যে ১১ মার্চ হরমুজ (Hormuz) প্রণালীতে একটি পণ্যবাহী জাহাজ একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। বিভিন্ন ছবি এবং সামুদ্রিক রেকর্ডের মাধ্যমে থাইল্যান্ডের পতাকা থাকা জাহাজটিকে ময়ুরী নারী বলে চিহ্নিত করা গিয়েছে। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার নম্বরের পাশাপাশি জাহাজের হাল এবং সুপারস্ট্রাকচারের মাধ্যমে যাচাই করা হয়।
সংঘর্ষের পরই আগুন লেগে যায়
জানা গিয়েছে, প্রজেক্টাইল হামলার পর থাই জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। ওমানী নৌবাহিনী ওই এলাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু করে জাহাজের ২৩ জন ক্রু সদস্যের মধ্যে ২০ জনকে উদ্ধার করে।
ঘটনার তদন্ত চলছে
হামলার নেপথ্যে কপন অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত নয়। সেটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। বর্তমান ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে এই ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও, এই হামলার দায় এখনও কোনও দেশ স্বীকার করেনি। রয়েল থাই নৌবাহিনী এবং সমুদ্র নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ উভয়ই জানিয়েছে যে আক্রমণে একটি অজ্ঞাত প্রজেক্টাইল জড়িত ছিল এবং হামলার আশেপাশের পরিস্থিতি নির্ধারণের জন্য তদন্ত চলছে।
হরমুজ (Hormuz) প্রণালী এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডোর যার মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যায় এবং এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ঘটনাগুলি আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল এবং নৌ কর্তৃপক্ষ দ্বারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।


