Aaj India desk, নয়া দিল্লি: ডিজিটাল দুনিয়ায় জনপ্রিয়তার মাপকাঠি এখন সংখ্যায় মাপা হয় আর সেই সংখ্যার নিরিখেই নতুন নজির গড়লেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) । ইউটিউবে তাঁর অফিসিয়াল চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৩০ মিলিয়নে। বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের মধ্যে এটিই বর্তমানে সর্বোচ্চ বলে বিভিন্ন ডিজিটাল পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
আমি যখন এই তথ্য যাচাই করি, তখন স্পষ্ট হয়—সাধারণত ইউটিউবের ৩০ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার মানেই একজন শীর্ষস্থানীয় বিনোদন তারকা, গেমিং স্ট্রিমার বা লাইফস্টাইল ইনফ্লুয়েন্সার। সেখানে একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) এই সংখ্যা ছুঁয়েছেন, যা নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম। কারণ রাজনৈতিক নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ইউটিউব এখনও অনেক দেশের জন্য পরীক্ষামূলক ক্ষেত্র, কিন্তু ভারতে তা মূলধারার যোগাযোগমাধ্যমে পরিণত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর(Narendra Modi) ইউটিউব চ্যানেলে নিয়মিতভাবে তাঁর ভাষণ, সরকারি প্রকল্পের সূচনা, আন্তর্জাতিক সফরের ভিডিও,’মন কি বাত’-এর পর্ব এবং বিভিন্ন সামাজিক বার্তা আপলোড করা হয়। শুধু দেশীয় দর্শক নয়, আন্তর্জাতিক স্তরেও এই কনটেন্টের ভিউ উল্লেখযোগ্য। বহু ভিডিওতেই ইংরেজি সহ একাধিক ভাষায় সাবটাইটেল দেওয়া থাকে, যা বৈশ্বিক দর্শকদের কাছে পৌঁছতে সাহায্য করেছে।
ইনফ্লুয়েন্সারদের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, তাঁদের কনটেন্ট মূলত বিনোদন বা ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড ঘিরে। কিন্তু একজন প্রধানমন্ত্রীর ক্ষেত্রে ইউটিউব ব্যবহার হচ্ছে নীতিগত বার্তা, কূটনৈতিক কার্যকলাপ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সরাসরি নাগরিকদের সামনে তুলে ধরার জন্য। এই দৃষ্টিকোণ থেকে ৩০ মিলিয়ন সাবস্ক্রাইবার কেবল জনপ্রিয়তার সংখ্যা নয়—এটি রাজনৈতিক যোগাযোগের একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্মে পরিণত হওয়ার প্রমাণ।
ডিজিটাল যুগে যেখানে তথ্যপ্রবাহ দ্রুত এবং প্রত্যক্ষ, সেখানে ইউটিউবে এই রেকর্ড ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এত বড় ডিজিটাল অনুসারী গোষ্ঠী থাকা বিশ্ব রাজনীতিতে এক নতুন ধারা তৈরি করেছে বলেই মনে হয়েছে।


