নয়াদিল্লি: লাগাতার হুঁশিয়ারির পালা, গালিগালাজ শেষে অবশেষে ইরানে নতুন হামলা করা থেকে পিছু হঠলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। তেহরানকে নতি স্বীকারের জন্য তিনি নিজেই যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। তার কয়েক ঘন্টা আগেই তিনি ইরানে ধ্বংসাত্মক হামলার হুমকি প্রত্যাহার করে নেন। গত দিন ধরে চলা যুদ্ধের বিরতিতে সম্মত হয়েছে আমেরিকা। আগামী দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতিতে যাচ্ছে ইরান ও আমেরিকা-ইজরায়েল।
যুদ্ধ বিরতিতে সম্মত হয়ে শর্তসাপেক্ষে হরমুজ (Hormuz) খুলতে রাজি হয়েছে ইরান। যাতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল সমগ্র বিশ্ব। ইরানের প্রস্তাবিত ‘কার্যকর’ ১০ দফা শান্তি পরিকল্পনার ভিত্তিতে সামরিক হামলার হুমকি থেকে সরে এসে গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক পরিকাঠামোয় আঘাত না করার সিদ্ধান্ত নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।
দীর্ঘমেয়াদি শান্তির লক্ষ্যে আগামী ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদ-এ মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চলেছে ওয়াশিংটন ও তেহরান। তবে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হলেও বাস্তবিক পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি। যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও উপসাগরীয় অঞ্চলে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা জারি অব্যাহত। অন্যদিকে, ইজরায়েল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যে লেবানন এই চুক্তির আওতায় নেই। তাই সেখানে সামরিক অভিযান অব্যাহত, বলে জানা গিয়েছে।
কমছে তেলের দাম
এদিকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হতেই বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড়সড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা গিয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৯.৭৭ ডলার থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে ৯৫.০৬৮ ডলারে। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দামও প্রায় ২০ ডলার পর্যন্ত কমে গেছে। এই যুদ্ধবিরতির মূল উদ্দেশ্য হল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ (Hormuz) প্রণালী-তে পুনরায় স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল চালু করা।


