ইসলামাবাদ: বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু (Hindu) হত্যার ঘটনায় উদ্বিগ্ন ভারত। এর মাঝেই পাকিস্তানে (Pakistan) এক হিন্দু কৃষককে বুকে গুলি করে হত্যার ঘটনা সামনে উঠে এল। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে কৈলাস কোহলি নামক এক কৃষককে বুকে গুলি করে হত্যা করেন তাঁর বাড়ির মালিক শরফরাজ নিজামি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় কৈলাসের।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিন্ধ প্রদেশের স্থানীয় প্রশাসন ও দেশের শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সংগঠন। তাঁদের দাবী, “সিন্ধ প্রদেশে মানুষের জীবন রক্ষার্থে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে”। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের (Pakistan) দারাওয়ার ইত্তেহাদের সংখ্যালঘু সংগঠনের চেয়ারম্যান শিবা কাচ্চি। এই ঘটনাকে “ঠান্ডা মাথায় খুন” বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এক্সের পোস্টে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে শিব কাচ্চি লেখেন, “এটা কেবল একজন ব্যক্তির উপর আক্রমণ নয়, বরং মানবতার উপর তীব্র আঘাত। সিন্ধ প্রদেশে নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমা লড়াই চালিয়ে যাব”।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দিল্লির তুর্কম্যান গেট এলাকার ফয়েজ-ই-ইলাহি মসজিদের কাছে উচ্ছেদ অভিযানের সমালোচনা করে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। উল্লেখযোগ্যভাবে ভারতকে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে পাকিস্তানের জ্ঞান দেওয়ার কয়েকদিনের মদহ্যেই পাকিস্তানে হিন্দু কৃষক খুন হলেন।
পাকিস্তানের কটাক্ষের প্রেক্ষিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক বলেছে, “সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে পাকিস্তানের শোচনীয় রেকর্ডই তাঁদের পরিচয় দেয়। বিভিন্ন ধর্মের সংখ্যালঘুদের প্রতি পাকিস্তানের ভয়াবহ ও পদ্ধতিগত নির্যাতন একটি সুপ্রতিষ্ঠিত সত্য। কোনও যুক্তি বা ব্যাখ্যাই এই সত্যকে নস্যাৎ করতে পারবে না”।


