Aaj India Desk, কলকাতা: ভোটের (Vote) আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন। ভোট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের নানা জায়গায় একাধিক পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্তাদের বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন (ECI)। এর মধ্যেই এবার ভবানীপুরে একসঙ্গে চারজন অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শনিবার ওসি থেকে শুরু করে ট্রাফিক সার্জেন্ট -একাধিক দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের বিরুদ্ধে এই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়। জানা যাচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) উপস্থিতিতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার জেরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
শনিবার জারি করা নির্দেশিকায় সাসপেন্ড করা হয়েছে সাউথ ডিভিশনের ডিসি-২ সিদ্ধার্থ দত্ত, আলিপুর থানার ওসি প্রিয়ঙ্কর চক্রবর্তী, অতিরিক্ত ওসি চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আলিপুরের ট্রাফিক সার্জেন্ট সৌরভ চট্টোপাধ্যায়কে। ভবানীপুরের যে অংশে ঘটনাটি ঘটেছিল, তা আলিপুর থানার অধীন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-র বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে এর আগেও বহু আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এই ঘটনায় শুধুমাত্র গাফিলতির প্রশ্নই নয়, নিরাপত্তা ব্যবস্থার বড়সড় ত্রুটি নিয়েও উঠছে গুরুতর প্রশ্ন। বিশেষ করে যেখানে দেশের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন, সেখানে কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তা নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।
গত ২ এপ্রিল ভবানীপুরে মনোনয়ন জমা দিতে যান বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Shubhendu Adhikari)। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ। মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে রোড শো-তে অংশ নেন তাঁরা। সেই সময় শাহের কনভয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)-এর বাড়ির গলির সামনে পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের আবহ তৈরি হয়। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে শেষমেশ কনভয় থেকে নেমে ছোট গাড়িতে করে বাকি পথ অতিক্রম করতে হয় অমিত শাহকে।


