নয়াদিল্লি: আম জনতার কথা সংসদে তুলে ধরে দলের অন্দরেই কোণঠাসা রাজ্যসভার আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)। চাড্ডার ‘মুখ বন্ধ করতে’ রাজ্যসভার ডেপুটি লিডারের পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে সেই পদে অশোক মিত্তাল্কে বসিয়েছে আম আদমি পার্টি। আর সেই ক্ষোভই চাড্ডা উগড়ে দিয়েছেন সমাজমাধ্যমে। শুক্রবার সকালে এক্সে একটি ভিডিও বার্তায় রাঘব চাড্ডা বলেন, “সাধারণ মানুষের সমস্যা তুলে ধরা কি অন্যায়? আমাকে চুপ করানো হয়েছে। কিন্তু পরাস্ত হইনি”।
X link: https://x.com/raghav_chadha/status/2039923569988419809
চাড্ডার (Raghav Chadha) ভাইরাল ভিডিও বার্তার পর তাঁর বিরুদ্ধে দলের তরফ থেকে একের পর এক তুমুল আক্রমণ আসছে। “নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতা করতে ভয় পাচ্ছেন”, “দেশের আসল সমস্যা ছেড়ে সংসদে শিঙাড়া নিয়ে আলোচনা অবান্তর” ইত্যাদি কটাক্ষ করছেন তাঁর নিজেরই দলের নেতা, মন্ত্রীরা। রাঘব চাড্ডার সঙ্গে দলের চিড় স্পষ্ট। এই আবহেই ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। আর সেখান তেহেকি জল্পনা উঠছে, তাহলে কি দলত্যাগ করতে চলেছেন আপ নেতা রাঘব চাড্ডা?
রাঘবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিজেপি
রাঘব চাড্ডার (Raghav Chadha) ভাইরাল ভিডিওতে কমেন্ট করেছেন খোদ দিল্লি বিজেপির সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা। কমেন্ট বক্সে প্রশংসার বন্যা বইয়ে দিয়েছেন তিনি। বীরেন্দ্র লেখেন, “চাড্ডার অনেক আগেই মুখ খোলা উচিৎ ছিল। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের একটি বিশেষ প্রতিভা রয়েছে! উনি প্রথমে মানুষকে ব্যবহার করেন এবং তারপর তাঁদের ছুড়ে ফেলে দেন।”
বীরেন্দ্র সচদেবা আরও যোগ করেন, “রাজ্যসভার উপনেতার পদ থেকে রাঘবকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি তাঁর দলেরই নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত, এবং এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা প্রতিটি দলেরই রয়েছে। তবে আপত্তির মূল জায়গাটি হলো রাজ্যসভা সচিবালয়ে চিঠি লিখে এই অনুরোধ জানানো যে, রাঘব চাড্ডা যেন কথা বলার অনুমতি না দেওয়া হয়। অরবিন্দ কেজরিওয়াল একজন ভীতু ও দুর্বল প্রকৃতির মানুষ। তিনি বিরোধী পক্ষকে অপছন্দ করেন এবং অন্যদের দক্ষতা দেখে ভয় পান।”
এখন প্রশ্ন উঠছে, রাঘবের (Raghav Chadha) সঙ্গে আপের দ্বন্দে সুযোগ সন্ধানি হচ্ছে বিজেপি? যদি তাই হয়, তাহলে রাঘবের পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে? সেদিকেই তাকিয়ে ‘আম জনতা’।


