নয়াদিল্লি: গত শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, রাজ্যে আসার পর তাঁকে স্বাগত জানাতে মুখ্যমন্ত্রী বা কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। মুখ্যমন্ত্রীকে ‘ছোট বোন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) হয়তো রাগ করেছিলেন, তাই নিজে আসেননি, কোনও মন্ত্রীও আসেননি।
এই ঘটনায় রাজ্য বনাম কেন্দ্র চাপানউতোরের মাঝে বড় সিদ্ধান্ত নিল শাহের মন্ত্রক। শুক্রবার শিলিগুড়ির সিপি সি সুধাকর ও দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক মণীশ মিশ্রকে ডেপুটেশনে চাইল শাহের দফতর। এই দুই আধিকারিকই পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইপিএস ও আইএএস। তাঁদের ক্যাডার নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, তাই প্রয়োজন পড়লে কেন্দ্র তাঁদের ডেপুটেশনে ডেকে নিতে পারে।
গত ৭ মার্চ আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিলিগুড়িতে একটি অনুষ্ঠানের জন্য যে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল সেখানে পর্যাপ্ত জায়গা নেই বলে জানানো হয়েছিল। পরে কাছাকাছি আরেকটি স্থানে গিয়ে তিনি দেখেন সেখানে অনেক বেশি মানুষ সমাগম সম্ভব ছিল। এই বিষয়েও প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। পাশাপাশি, আদিবাসী, সাঁওতাল সমাজের মানুষরা সঠিক সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন কিনা সেই নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী (Draupadi Murmu) ।
এর বিরুদ্ধে ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে সুর চড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাষ্ট্রপতির উদ্দেশে মমতা বলেন, ‘‘আই অ্যাম সরি ম্যাডাম। আমি দুঃখিত। আপনার প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা। কিন্তু আপনি বিজেপির নীতির ফাঁদে পড়েছেন।’’ রাষ্ট্রপতির সফরে অব্যবস্থার অভিযোগে সরব হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।


