Aaj India Desk, হাওড়া: ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্রে ফের ধাক্কা , হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে তৃণমূলের (TMC )দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ। স্থানীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় অন্তত একজনকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে, জগৎবল্লভপুরের চকশাহাদাতে একটি অনুষ্ঠানের সময় হঠাৎ গন্ডগোল সৃষ্টি হয়।সংঘর্ষে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা ফুটে উঠেছে, যা নির্বাচনের আগে দলের ভিতরকার ফাটলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
জগৎবল্লভপুরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ। স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, পঞ্চায়েত সভাপতি রঞ্জন কুণ্ডুর অনুগামীদের হামলায় সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি শহিদুল মিদ্দ আহত হন। তাকে জগৎবল্লভপুর গ্রামীণ হাসপাতাল (Jagatballavpur Rural Hospital)-এ ভর্তি করা হয়। সংঘর্ষের পর তৃণমূল (TMC) অফিসে ভাঙচুর, ও ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয়। পুলিশ ও RAF পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।যদিও তৃণমূল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে।
সম্প্রতি রাজারহাট-নিউটাউনে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা দেখা দিয়েছে। সব্যসাচী দত্তর অনুগামী র বাড়িতে হামলা চালানো হয়। হামলার অভিযোগ উঠেছে বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়ের অনুগামীদের বিরুদ্ধে।
ঘটনার পর সব্যসাচী দত্ত দূরত্ব বজায় রেখেছেন। তাপস চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, ওই পরিবারের কারণে এলাকায় উত্তেজনা ছিল। বিজেপি এই গোষ্ঠীকোন্দলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে। পুলিশ ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছে এবং অভিযুক্তদের শনাক্তের চেষ্টা করছে।
ভোটের মুখে এই ধরনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কি দলের মৌলিক দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত? সমর্থকের কাছে কি দলের ভাবমূর্তি পিছিয়ে পড়ছে?


