Aaj India desk, গুয়াহাটি: গার্লস হোস্টেলের বাথরুম—যে জায়গাটিকে সবচেয়ে ব্যক্তিগত ও সুরক্ষিত বলে মনে করা হয়, সেখানেই মিলল গোপন ক্যামেরা মানে “স্পাই ক্যাম”(Spy Camera)।সাবানের প্যাকেটের ভিতরে লুকানো ছিল এটি। কে বসাল, কেন বসাল, কখন থেকে চলছিল নজরদারি, কোথায় ঘটল এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা, কারা জড়িত এবং কীভাবে তা ধরা পড়ল—চলুন দেখেনি।
ঘটনাটি বুধবার ঘটেছে। সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে অসমের গুয়াহাটিতে অবস্থিত টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস (TISS)-এর ক্যাম্পাসে। দাবি করা হচ্ছে —মেয়েরা তাহলে কোথায় নিরাপদ?মেয়েরা তাহলে কোথায় যাবে?তারা কি কোথাও স্বাধীন নয়?
এইসব প্রশ্ন আসছে কথার দিয়ে?
অভিযোগ-এ জানা যায় হোস্টেলের এক বাথরুমে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল একটি ‘স্পাই ক্যাম’(Spy Camera)। কয়েকজন ছাত্রী সন্দেহজনক একটি ডিভাইস দেখতে পেয়ে কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে সেটি পরীক্ষা করে দেখা যায় যে এটি “গোপন ক্যামেরা”(Spy Camera)।
কখন ও কোথায়?
স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনা সামনে আসে TISS গুয়াহাটি ক্যাম্পাসের গার্লস হোস্টেলে সামনে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই ক্যাম্পাসজুড়ে উদ্বেগ ছড়ায়।
এই কাণ্ডে কারা জড়িত?
প্রাথমিকভাবে একজন কর্মী/স্টাফকে সন্দেহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে তদন্ত চলায় প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। এদিকে চাপ-এ পড়ে-পুলিশে এই অভিযোগ দায়ের করেছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।
কেন ও কীভাবে?
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কীভাবে এত সংবেদনশীল এলাকায় এমন (Spy Camera) ডিভাইস ঢুকল? হোস্টেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কি যথেষ্ট ছিল না? নিয়মিত নজরদারি ও তল্লাশির অভাবেই কি এই ঘটনা? যার জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছেন ছাত্রীরা।
প্রশাসনের পদক্ষেপ কী?
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি হোস্টেলে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও নজরদারির ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির প্রশ্ন তোলে না, বরং বৃহত্তর নিরাপত্তা ব্যবস্থাকেও ভাবতে বাধ্য করে। মেয়েদের ব্যক্তিগত পরিসর কি যথেষ্ট সুরক্ষিত? প্রযুক্তির অপব্যবহার রুখতে কি পর্যাপ্ত নজরদারি ও সচেতনতা রয়েছে?এইগুলো-র জবাব কি পাওয়া যাবে?
কি করণীয়?
শুধু সিসিটিভি বা গার্ড বাড়ালেই হবে না—নিয়মিত সিকিউরিটি অডিট, স্টাফ ভেরিফিকেশন ও সচেতনতা কর্মশালা জরুরি। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু পড়াশোনার জায়গা নয়, নিরাপদ আশ্রয়ও হওয়া উচিত। এই ঘটনাই মনে করিয়ে দিল—নিরাপত্তা কোনো বিকল্প নয়, এটি মৌলিক অধিকার যেন!


