27.8 C
Kolkata
Sunday, February 22, 2026
spot_img

AI-দুনিয়ার কঠোর বাস্তবতা! মর্মান্তিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরলেন মহিলা কর্মী

Aaj India desk, রাঁচি: ভারতের গ্রামীণ এবং শহরের অনেক নারী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর প্রশিক্ষণ এবং কনটেন্ট নজরদারি কাজ করছেন। তবে এই “ডিজিটাল ইন্টারনেটের” (Digital Internet) পিছনে যে চাপ, মানসিক ক্লান্তি ও অদৃশ্য ব্যথা রয়েছে, তা খুব একটা প্রকাশ পায়নি। একটি তদন্তে দেখা গেছে, অনেক নারী প্রতিদিন সহিংস, অশ্লীল এবং মনস্তাত্ত্বিকভাবে বিপজ্জনক ভিডিও ও ছবি দেখে থাকেন। এই কনটেন্ট AI সফটওয়্যারকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে শেখাতে ব্যবহৃত হয়।

ঝাড়খণ্ডের ২৬ বছর বয়সী মনসুমি মুর্মুর মতো অনেক নারী প্রতিদিন ৮০০-রও বেশি ভিডিও ও ছবি পর্যালোচনা করেন। এর মধ্যে রয়েছে সহিংসতা, যৌন নির্যাতন এবং অশোভন কনটেন্ট। অনেকের ঘুম ভেঙে যায় এবং তারা দেরিতে মানসিক শান্তি ফিরে পেতে পারেন। মুর্মু বলেন, “শুরুতে ঘুমে খারাপ স্বপ্ন হত। চোখ বন্ধ করলেও সেই স্ক্রিনটা মনে ঘুরত।”

এটি খুবই অদ্ভুত, কারণ আরেক কর্মী জানান, একসময় এ ধরনের কনটেন্টের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে তিনি ‘শূন্য’ বোধ করতেন। এটি অনুভূতির বদলে অনুভূতি শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।

এই কাজটি অনেক সময় “Ghost Workers” বা অদৃশ্য শ্রম হিসেবে পরিচিত। এখানে AI এর উন্নতির পেছনে মানুষের জীবন ও অনুভূতির ওপর যে চাপ পড়ে, তা প্রায় অজানা থাকে। শ্রমিকদের অধিকাংশের কাছে মানসিক সহায়তা বা প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। ফলে তারা একা একা এই অভিজ্ঞতার সাথে লড়াই করছেন।

এ ধরনের কাজের মানসিক খরচ শুধুমাত্র “ডিজিটাল কাজ”(Digital Internet) নয়। এটি মানবিক এবং মানসিক ক্ষেত্রে গভীর প্রভাব ফেলে, যা সাহায্য, সুরক্ষা ও আইনগত স্বীকৃতির দাবি করে। যেখানে বিশ্বের অন্যান্য স্থানে AI এর সুবিধা নিয়ে আলোচনা চলছে, সেখানে এই অদৃশ্য মানবিক ব্যথার গল্পগুলোও শোনা উচিত। AI কি শুধু প্রযুক্তি, নাকি মানুষের জীবনের গল্পও?

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

আরও পড়ুন