কলকাতা: সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে SIR নিষ্পত্তির কাজ। রবিবার জুডিশিয়াল অফিসারদের (Judicial Officer) সঙ্গে কমিশনের প্রতিনিধিদের বৈঠক। আপাতত ২৫০ জন জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রতি জেলায় থাকবে ৩ সদস্যের কমিটি।
কমিটিতে থাকবেন জেলা জজ, জেলা শাসক, পুলিশ সুপার, বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্র থেকে চাওয়া হয়েছে একজন করে জুডিশিয়াল অফিসার (Judicial Officer)। এছাড়া ৯৫ জন বিচারকের তালিকা প্রকাশ হাইকোর্টের। বিচারকদের ছুটি নিতেও বারণ করা হয়েছে। বদলি হলে ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিতে হবে দায়িত্ব।
কি বলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল?
তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ বিশ্বাস ফের নির্বাচনের আগে এই জটিলতা নিয়ে সরব। তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতি কেন তৈরি হল?” বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে নির্বাচন কমিশন এই জট তৈরি করল বলে ফের তোপ দাগেন তৃণমূল মুখপাত্র। অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য, “এটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে লজ্জার! এই প্রথমবার কোনও রাজ্যে বিচারবিভাগের হস্তক্ষেপে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে”।
সিপিআইএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীর কটাক্ষ, “এটা স্কুলের রিপোর্ট নাকি! এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে লজ্জার!” নিজেদের সুবিধার্থে মানুষকে হয়রানি, এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াকে দীর্ঘাইত করা হল বলে মন্তব্য করেন সুজন।
SIR-এ জুডিশিয়াল সুপারভিশনের নির্দেশ
বস্তুত, তথ্যগত অসংগতি বা লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির কারণে নোটিশ পাওয়া ভোটারদের মধ্যে যাঁদের নথি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি, তাঁদের ক্ষেত্রে বিচারবিভাগীয় আধিকারিক বা জেলাস্তরের বিচারকরা সিদ্ধান্ত নেবেন। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ রাজ্যের SIR জট কাটাতে বিচারবিভাগীয় আধিকারিক অথবা কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা বিচারকদের ময়দানে নামানোর বেনজির নির্দেশ দেন।


