ভাঙড়: ভোটের ডঙ্কা বাজতেই উত্তপ্ত ভাঙড়! খাইরুল ইসলামের পর শওকত মোল্লার (Saokat Molla) কনভয়ে হামলা, বোমাবাজি! এমনকি তাঁকে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ! জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় ভাঙরের পোলেরহাট থানার গাজিপুরে দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল এবং আইএসএফের মধ্যে অশান্তি, বচসা বাঁধে।
আইএসএফের অভিযোগ, তাঁদের দেওয়াল লিখন মুছে দেওয়া হয়। ওই সময় কর্মীসভায় গিয়েছিলেন খাইরুল ইসলাম। এরপর ঘটনাস্থলে যান তিনি। এরপরেই দু-পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আহত হন খাইরুল ইসলাম সহ আইএসএফেরও বেশ কয়েকজন।
শওকতের গাড়ি লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ!
প্রায় ওই সময়ই মিটিং শেষ করে ফিরছিলেন ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla)। তাঁর অভিযোগ, তাঁদের গাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয়, চালানো হয় গুলি। কোনোক্রমে প্রাণে বাঁচেন তাঁরা। আইএসএফের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে শওকত বলেন, “আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির মদতে এই হামলা হয়েছে”।
খাইরুল সহ আহত ৪
জানা গিয়েছে, খাইরুল ইসলাম সহ প্রায় ৪ জন আহতকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা, ভেঙে গিয়েছে বিধায়কের গাড়ির কাঁচ। তৃণমূলের অভিযোগ, আগে থেকে পরিকল্পনা করেই এই হামলা। শওকত মোল্লাকে মেরে ফেলাই ছিল আসল উদ্দেশ্য। কেননা শওকতকে (Saokat Molla) সরাতে পারলেই ভাঙড় নওশাদের হাতে চলে আসবে, মনে করছেন স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
কি বললেন নওশাদ সিদ্দিকি?
তৃণমূলের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি বলেন, “শওকাতের অভিযোগ ভাঙড় কে বদনাম করছে। আইএসএফ-এর নামে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে”।


