Aaj India desk,কলকাতা: রাজ্যের সরকারি স্কুলে শিক্ষক আর অশিক্ষক কর্মীদের নিয়োগে (Teacher Recruitment) যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। ক্যালকাটা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) প্রায় ২৫ হাজার মানুষের চাকরি বাতিল করে দিয়েছে। এই খবর শুধু অফিসের ফাইলগুলো নয়, হাজারো পরিবারের জীবনকে নাড়িয়ে দিয়েছে। যারা কয়েক বছর ধরে চাকরি করে সংসার চালাচ্ছিল, তাদের মনে এখন ভয় আর অনিশ্চয়তা—কাল কী হবে?
আদালত বলেছে, নিয়োগের (Teacher Recruitment) প্রক্রিয়ায় অনেক অনিয়ম ছিল, স্বচ্ছতার অভাব ছিল। তাই পুরো প্যানেলটাই বাতিল। এর ফলে যারা ইতিমধ্যে ক্লাস নিচ্ছে বা অফিসে বসে কাজ করছে, তাদের হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেছে। চাকরি গেলে তো বাড়ির ভাড়া-ভাতা, বাচ্চাদের পড়াশোনা—সবকিছু কীভাবে চলবে?
এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এটা শুধু একটা নিয়োগের ঘটনা নয়”,এটি পরে অনেক বিপদ ও আনতে পারে। তাই আগের থেকে সরকারি চাকরির নিয়মকানুনকেও সতর্ক করে দিয়েছে।আদালতের স্পষ্ট বার্তা: নিয়ম মানতে না পারলে কোনো চাকরি টিকবে না। এখন রাজ্যের সব দপ্তরে নতুন নিয়োগে সবাই সতর্ক—কোনো ভুল হলে আবার এমন ধাক্কা লাগতে পারে।
প্রভাবিতদের মধ্যে তো হাহাকার! অনেকে বলছেন, “কয়েক বছর খেটেছি, এখন হঠাৎ রাস্তায়?” ইতিমধ্যে অনেকে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রশাসনও রায়ের পুরো কপি দেখে আইনজীবীদের সঙ্গে বসেছে। সরকার এখনও কিছু বলেনি, কিন্তু বোঝা যাচ্ছে বিষয়টা গুরুতর।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার থেকে নিয়োগে আরও স্বচ্ছতা আনতে হবে—মেধাতালিকা ঠিকমতো রাখা, সবকিছু ডিজিটাল করে যাচাই, স্বাধীন লোকজনের নজরদারি। ওয়েস্ট বেঙ্গলে (West Bengal) সরকারি চাকরির স্বপ্ন দেখা মানুষের জন্য এটা শুধু খবর নয়, জীবনের একটা বড় অংশ। এখন সবার চোখ আপিল আর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আশা করি, ন্যায় হবে।


