পৌলমী ব্যানার্জী, মুম্বই: খুনের তদন্ত দিয়ে শুরু, কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন তোলে পুরো সমাজব্যবস্থাকেই— ‘কোহর্রা ২’ (Kohrra 2) দ্বিতীয় সিজন যেন শুধুই থ্রিলার নয়, পাঞ্জাবের আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক কাঁপানো সতর্কবার্তা। নির্মাতা সুদীপ শর্মার (Sudip Sharma) আবারও দেখালেন, অপরাধের আড়ালে লুকিয়ে থাকে আরও গভীর সামাজিক ক্ষত।
পাঞ্জাবের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই সিরিজে একটি রহস্যজনক হত্যাকাণ্ড ঘিরে এগোয় কাহিনি। কিন্তু তদন্ত যত এগোয়, ততই সামনে আসে ভাঙতে থাকা পারিবারিক সম্পর্ক, প্রবাসের টানাপোড়েন, মাদকাসক্তির ছায়া এবং তরুণ প্রজন্মের হতাশা। গল্পের চরিত্ররা কেবল অপরাধের জালেই আটকে নেই, তারা জড়িয়ে পড়েছে মূল্যবোধের সংকটে।
‘কোহর্রা ২’ (Kohrra 2) মূলত দেখায়, কীভাবে দ্রুত বদলে যাওয়া সমাজে তরুণরা নিজেদের পরিচয় খুঁজতে গিয়ে ভুল পথে পা বাড়ায়। বিদেশে পাড়ি দেওয়ার স্বপ্ন, পরিবারে যোগাযোগের অভাব এবং সামাজিক চাপ— সব মিলিয়ে এক অস্থির বাস্তবতা। সিরিজটি সেই বাস্তবতাকেই নির্মমভাবে তুলে ধরে।
চিত্রনাট্যে টানটান উত্তেজনার পাশাপাশি রয়েছে আবেগের গভীরতা। প্রতিটি পর্ব যেন ধীরে ধীরে খুলে দেয় নতুন স্তর। থ্রিলারের মোড়কে সামাজিক বার্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্মাতা সফল। সব মিলিয়ে, ‘কোহর্রা ২’ (Kohrra 2) কেবল একটি অপরাধকাহিনি নয়; এটি পাঞ্জাবের আগামী প্রজন্মের জন্য এক সতর্ক সংকেত— সময় থাকতে সচেতন হওয়ার বার্তা।


