Aaj India Desk, কলকাতা : পুরসভা ভোটের দামামা বাজতে বাকি নেই, অথচ জোড়াফুলের মালিকানা নিয়ে লড়াইয়ে এখনও কাটছে না জট! দলের নাম আর প্রতীক কার দখলে থাকবে, সেই প্রশ্নের মীমাংসা করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টে ফের সময় বাড়ল দুই শিবিরের। নির্ধারিত দিনে নথি জমা দিতে পারেনি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। তাদের আবেদনে আরও ১০ দিন সময় দিয়েছে শীর্ষ আদালত। পালটা জবাব দেওয়ার জন্য কালীঘাট শিবিরও পাবে অতিরিক্ত ১০ দিন। অর্থাৎ, জোড়াফুলের দখল নিয়ে আইনি ম্যাচে আপাতত আরও ২০ দিনের ‘এক্সট্রা টাইম’!
কেনো সময় বাড়ানোর আবেদন?
সোমবার ছিল দুই শিবিরের নথি ও হলফনামা জমা দেওয়ার নির্ধারিত দিন। কালীঘাট শিবির নথি জমা দিলেও ঋত শিবির তা করতে পারেনি। তাদের আইনজীবীর যুক্তি, দুর্গাপুজোর কারণে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার পাওয়া যায়নি। তাই নথি জমা দেওয়ার জন্য আরও দু’সপ্তাহ সময় চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় ঋত শিবির। (TMC)
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তি খারিজ
ঋত শিবিরের সময় বাড়ানোর আবেদনে আপত্তি জানান কালীঘাট শিবিরের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সেই আপত্তি খারিজ করে নথি জমা দেওয়ার জন্য ঋত শিবিরকে আরও ১০ দিন সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অন্যদিকে, ঋত শিবিরের নথি খতিয়ে দেখে পালটা হলফনামা জমা দিতে কালীঘাট শিবিরও পাবে অতিরিক্ত ১০ দিন।
উল্লেখ্য, কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের একাধিক পুরসভায় নির্বাচন সামনে। এমন পরিস্থিতিতে দলের নাম ও প্রতীকের মালিকানা নিয়ে মামলা ঝুলে থাকা দুই শিবিরের কাছেই বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা। একদিকে নথি জমা, অন্যদিকে পালটা হলফনামা, সব মিলিয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে এখনও অনেকটা পথ বাকি। এখন দেখার, আগামী ২০ দিনের আইনি ‘ইনিংস’-এ কে কতটা শক্তিশালী নথি পেশ করতে পারে। কারণ, রাজনৈতিক ময়দানে দুই শিবিরের মধ্যে নানা স্লোগান উঠলেও, জোড়াফুলের মালিকানা নির্ধারণে শেষ কথা বলবে আদালতই।


