Aaj India Desk, নয়াদিল্লি: তিহাড় জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের পুলিশের মুখোমুখি হতে চলেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) দুই নেতা সৌরভ দাস (Sourav Das) ও আশুতোষ রাঙ্কা (Ashutosh Ranka)। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকে (Jantar Mantar Protest) কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একটি মামলায় তাঁদের নোটিস পাঠিয়েছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর দুপুর ১২টায় তদন্তের জন্য ক্রাইম ব্রাঞ্চের দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে দু’জনকে। বুধবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ তিহাড় জেল থেকে বেরোনোর সময় তাঁদের হাতে নোটিস তুলে দেওয়া হয়।
কেন তলব করা হয়েছে দুই নেতাকে?
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ চলাকালীন সরকারি নির্দেশ অমান্য করা এবং অন্যের সম্পত্তিতে বেআইনিভাবে প্রবেশের অভিযোগের তদন্ত করছে পুলিশ। এই মামলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডব্লিউআর১ ইউনিটকে। তদন্তের স্বার্থে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। পাশাপাশি, সিজেপি নেতা অজিঙ্ক শিন্ডের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
মুক্তির পরেও স্বস্তি নেই
বুধবার রাতে তিহাড় জেল থেকে মুক্তি পান সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তবে জেল থেকে বেরোনোর পরই নতুন করে পুলিশের নোটিস পাওয়ায় তাঁদের আইনি জটিলতা কাটেনি বলেই মনে করা হচ্ছে। যন্তর মন্তরের ঘটনাকে ঘিরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে। আপাতত দুই নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তদন্তে তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হতে পারে।
যন্তর মন্তর মামলায় কোন অভিযোগ?
বিক্ষোভকারীরা সরকারি নির্দেশ অমান্য করে যন্তর মন্তরে পৌঁছেছিলেন এবং অন্যের সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ভারতীয় দণ্ডবিধির ২২৩ নম্বর ধারার উল্লেখ রয়েছে, যা সরকারি কর্মচারীর জারি করা নির্দেশ অমান্য করার সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে তিহাড় থেকে মুক্তির পর সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে ফের পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।


