Aaj India Desk, পূর্ব মেদিনীপুর: ১ সেপ্টেম্বর থেকে আমরণ অনশনে বসার ঘোষণা করেছিলেন পটাশপুরের তৃণমূল নেতা পীযূষ পান্ডা (Piyush Panda)। তার আগের রাতেই একটি পুরনো দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করল পটাশপুর থানার পুলিশ। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে এক ঠিকাদারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তা আত্মসাৎ করেছিলেন পীযূষ। যদিও অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
অনশনের আগের রাতেই গ্রেফতার
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে পটাশপুরে নিজের বাড়ি থেকে পীযূষ পান্ডাকে (Piyush Panda) গ্রেফতার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সরকারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক ঠিকাদারের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে প্রতিশ্রুত কাজ দেওয়া হয়নি এবং সেই টাকা ফেরতও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই মামলাতেই পটাশপুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।
আজ থেকেই অনশনে বসার কথা ছিল
রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উপর ‘অত্যাচার’ ও পুরনো মামলায় পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তুলে ১ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আজ থেকে আমরণ অনশনের ডাক দিয়েছিলেন তিনি। অনশনস্থলে মহাত্মা গান্ধীর ছবি রাখার কথাও জানিয়েছিলেন পীযূষ। সেই কর্মসূচির জন্য পোস্টারও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। কিন্তু কর্মসূচি শুরুর আগেই পুরনো মামলায় গ্রেফতার হলেন তৃণমূলের এই নেতা।
সম্প্রতি সাংবাদিক বৈঠক করে পীযূষ অভিযোগ করেছিলেন, রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলা ব্যবহার করে বিভিন্ন পুলিশি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দলীয় কার্যালয় দখল থেকে শুরু করে বিভিন্ন ভাবে তৃণমূল কর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। এই অভিযোগের প্রতিবাদেই অনশনে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন পীযূষ (Piyush Panda)।
অনশন বন্ধ করতেই পুলিশের ধরপাকড়?
১ সেপ্টেম্বর থেকেই আমরণ অনশনে বসার ঘোষণা করেছিলেন পটাশপুরের তৃণমূল নেতা পীযূষ পান্ডা। তার ঠিক আগের রাতেই পুরনো দুর্নীতি মামলায় তাঁর গ্রেফতারি ঘিরে উঠছে রাজনৈতিক প্রশ্ন। বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নেওয়ার পরই কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হল, তা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।


