Aaj india desk, কলকাতা: গত বুধবার জিবি মিটিং কে কেন্দ্র করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) সংঘর্ষ হয় এস এফ আই ও এ বি ভি পি র। যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় সারারাত ধরে তাণ্ডব করার হুশিয়ারি দেন। এরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর তান্ডব চলে দুষ্কৃতিদের। নিরাপত্তা রক্ষীরা কার্যত পুতুলের মতন দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরের দিন এবিভিপির বিক্ষোভ থেকে এ বি ভি পির পতাকা ধারী ব্যক্তিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের ফলক ভেঙে দেন। তারপর থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে যাচ্ছে এবিভিপি। এবার ফলক ভাঙার দায় চাপিয়ে থানায় মামলা করল তারা।
কাদের নামে দোষ চাপলো ?
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) বাংলার অধ্যাপক রাজ্যেশ্বর সিংহের নামে থানায় অভিযোগ করেছে এবিভিপি। তিনি শিক্ষক সংগঠন জুটার সাধারণ সম্পাদক। ফলক ভাঙার দায় পুরোপুরি তার ঘাড়েই চাপিয়েছে গেরুয়া ছাত্র সংগঠন। পাশাপাশি জুটা-র সভাপতি অধ্যাপক পার্থপ্রতিম রায়ের বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ দেশবিরোধী স্লোগান লেখার। এই দুই বাম অধ্যাপক এর বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসের ভিতর দেশবিরোধী কার্যকলাপ করার অভিযোগ করছে তারা। এসব কিছুর বিরুদ্ধে তদন্ত দাবি করেছে।উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, “অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হেরিটেজ ভাঙচুর এবং অনুমতি ছাড়া মধ্যরাতে গেট খোলার চেষ্টার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যাদবপুর থানায় আগেই এফআইআর দায়ের করেছে। এছাড়া তদন্ত কমিটি তৈরি করা হয়েছে।”
তদন্ত কোন পথে ?
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় (Jadavpur University) বুধবার রাতের ঘটনার তদন্ত নিয়েও বেশ সমস্যা হয়েছে। এবি ভিপি ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বাইরে চলে যাওয়া নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছে। তদন্ত কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে পরপর দুজন দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছেন। শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি প্রণবকুমার চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন কমিটি তৈরি হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেই উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরোবার সময় আহত হন। ফলে তদন্ত বাধা পেয়েছে।


